অসহায় পরিবারের আকুতি মাথা গোঁজার ঠাঁই চাই’

মধুখালী প্রতিনধিঃ
‘আর ভিজিডি ও দশ টাকার কার্ড দরকার নাই। ঘরের চাল দিয়ে অঝোরে পানি পড়ছে, ঘরটি পেলা দিয়ে রেখেছে, মাথা গোঁজার একটু ঠাঁই চাই।’ এভাবে কান্নাজড়িত কন্ঠে কথাগুলো বলছেন মধুখালী উপজেলার কামারখালী ইউনিয়নের গন্ধখালী পশ্চিম পাড়া গ্রামের দিন মুজুর ইখতার আলী বিশ্বাসের স্ত্রী লাইলি বেগম । ঝড় ও বন্যার কারণে তার মতো এমন পরিবারের কণ্ঠেই এমন আহাজারি। তিনি বলেন, দিন মুজুর ও সামন্যে বর্গাজমির ওপরেই চলে সংসার। কি করবো, কপাল মন্দ। রোগে ও অভাবে বড় অসহায় হয়ে গেলাম। লাইলি বেগম আরও জানান, বৃষ্টি হলে তারা ঘুমাতে পারেন না। কারণ তার ঘরটি এমনিতেই হেলে পড়েছে।
তার উপর চালের টিনে অসংখ্য ছিদ্র। আর সেই ছিদ্র দিয়ে বৃষ্টির পানি পড়ে তার কাঁথা-বালিশ ভিজে যায়। বিছানা শুকনা রাখতে স্বামীর সাথে মাঝে মধ্যে বসে বসে সারারাত কাটিয়ে দেন তিনি। ঘরের মেঝেতে বন্যার পানি আর বৃষ্টি হলে বিছানা ভিজে। এভাবেই অমানবিক কষ্টে কাটছে তাদের দিনকাল। বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত। তকদিরে কি লেখা আছে হেলে পড়া ভাঙা ঘরটি এখন শেষ ভরসা। কোনোমতে টিকানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি। কামারখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রাকিব হোসেন চৌধুরী নিকট আমাদের নাম দেওয়া হয়েছে কোন সাহায্যে এখনও পায়নি। পাব বলে আশা । এ প্রসঙ্গে কামারখালী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের মেম্বার আসাদুজ্জামান মুন্সী জানান, অসহায় লাইলী বেগমের ঘরের যে অবস্থা তাতে বসবাস করা মুশকিল। তার কোন ভিজিডি ও দশ টাকার কার্ড কোন দরকার নাই শুধু মাথা গোঁজার ঘরটি মেরামত করার ব্যবস্থা হলেই চলবে। এ অবস্থায় যদি প্রশাসন বা বিত্তবানদের সহায়তা পেলে ঘরটি মেরামত করে দিলেই হবে।