২২শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৯ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ৫ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি রোজঃ বুধবার
কামারখালী

কামারখালী আড়তে ও বাজারে বিক্রি হচ্ছে জেলি মেশানো গলদা চিংড়ি

মধুখালী প্রতিনিধিঃ
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কামারখালী আড়তে ও বাজারে জেলি ও বার্লি মেশানো গলদা চিংড়ি বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। মাছের ওজন বাড়ানোর কৌশল হিসেবে এসব মেশানো হয়। মাছ ব্যবসায়ীদের সূত্রে জানা যায়, গলদা চিংড়ির কানগুলো আকারে কিছুটা বড় হয়। সেই কানের ভেতরে ওজন বাড়াতে ঢোকানো হয় পানি ও সাদা রঙের এক ধরনের জেলি। আর সিরিঞ্জ দিয়ে পেটে ঢুকিয়ে দেওয়া হয় বার্লি। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জেলি মেশানো এসব মাছ কামারখালী আড়তে আসে এরপর এই আড়ত থেকে পাইকেরী কিনে কামারখালী বাজার সহ বিভিন্ন বাজারে বিক্রি হয় । কামারখালী আড়তের এক মাছ ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘আমরা শুনেছি।

কিন্তু এখানে আমাদের কোনো দোষ নেই। আমরা মাছে কিছু মেশাই না। আমরা মাছের আড়ত থেকে মাছ কিনে এনে আমাদের আড়তে বিক্রি করি। আরো জানা যায় ’সিলিকন জেলি কোনো খাদ্য উপাদন নয়। এ জেলি পেটে গেলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা তো হবেই। আস্তে আস্তে হার্ট ও কিডনীর ক্ষতি হবে। এটি স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। ভোক্তভোগীরা জানান, বর্তমান বাজার যে সব গলদা চিংড়ি পাওয়া যাচ্ছে তার প্রত্যেকটির মাথার ভিতর এই জেলি পাওয়া যাচ্ছে। তারা আরো বলেন, এ ব্যাপারে মাছ বিক্রেতাদেরকে জেলির ব্যাপারে প্রশ্ন করলে তারা বলেন এ ব্যাপারে আমরা কিছুই জানি না। আমরা পাইকারদের নিকট থেকে কিনে এনেছি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান মানুষ এসব চিংড়ি মাছ কিনে প্রতারিত হচ্ছেন। গ্রামের অনেকেই জানেন না যে এসব চিংড়ি মাছে ক্ষতিকর জেলি মিশানো আছে। এ বিষয়ে প্রশাসনের নজর দেওয়া দরকার।