কামারখালী যানজটে পথচারী অতিষ্ঠ

মধুখালী প্রতিনিধিঃ
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কামারখালী যানজটে বিশৃংখলা কামারখালী বাসষ্টান্ড। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত যেন যানজট লেগেই থাকে এই ষ্টান্ডে। ছোট-বড় গাড়ির যত্রতত্র পার্কিং ও প্রধান সড়কের দুই পাশে ভ্রাম্যমাণ দোকান, ফুটপাথে দোকান, প্রধান সড়কের দুইধারে দিনে ও রাতের হোটেল, হোটেল ধারে রাতে পার্কিং করে রেখে নাস্তা খাওয়া ঘন্টার পর ঘন্টা, মোড়ে মোড়ে মাহিন্দ্র ও গ্রামবাংলার এবং অটোরিকশার অস্থায়ী স্ট্যান্ডের কারণে ষ্টান্ডটিতে যানজট স্থায়ী রূপ নিয়েছে দিনের ও রাতের অধিকাংশ সময় যানজটের কারণে থমকে যায় স্বাভাবিক জীবন। কামারখালী বাজার স্কুল, কলেজ এবং মাদ্রাসায় প্রবেশদ্বারের সবকটি পথে অবৈধ ব্যাটারিচালিত রিকশা, অটো, মাহিন্দ্র, গ্রামবাংলা, লোকাল ও মাইক্রোবাসের দাপট বেশি।, নাই কোন ট্রাফিক পুলিশ ডিউটি ।

এই ষ্টান্ডে অবৈধ ব্যাটারিচালিত রিকশার দাপট দিনদিন বাড়তে থাকলেও কেহ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। যার কারণেই এই যানজট কামারখালী বাসষ্টান্ডের সকল গলি লোকাল ও মাইক্রোবাস, মাহিন্দ্র, গ্রামবাংলা, অটো ও ব্যাটারিচালিত রিকশার দখলে। মাঝে-মধ্যে এসব ছোটবড় গাড়িগুলো জন মানুষের পথচলার যাতায়াতের পথে আড়াআড়ি করে রাখা হয়। এতে সড়ক দিয়ে অন্য গাড়ি যেতে পারে না। এই সড়কের মাদ্রাসা রোড, দুই বাসষ্টান্ড রোড এলাকায় অস্থায়ীভাবে মাহিন্দ্র, গ্রাম বাংলা, ব্যাটারিচালিত রিকশা, অটো থামিয়ে যাত্রী ওঠা নামা করায় অন্যদিকে ষ্টান্ডের সকল রাস্তা দখলে থাকে মাহিন্দ্র, গ্রাম বাংলা, ব্যাটারিচালিত রিকশা ও লোকাল এবং মাইক্রোবাসের। অটো চালকগন বলেন, আমরা কী করবো। সড়কের ওপরই আমাদের স্ট্যান্ড নির্ধারিত। তাই আমরা গাড়ি থামিয়ে যাত্রী নামাচ্ছি ও ওঠাচ্ছি। চাকুরীজীবি অফিস আদালত , স্কুল কলেজে যাতায়াতকারী বলেন, যত্রতত্র গাড়ী চলাচলের কারনে আমরা সড়কের এপাশ থেকে ওপাশে যেতে পারি না। বাজার ও হাটের দিনে হাজার হাজার মানুষ বিভিন্ন এলাকা থেকে এই কামারখালী বাজারে আসা-যাওয়া করছে।

বাজারে বিভিন্ন সড়ক পথে প্রতিদিন অনেক যানবাহন যাত্রী ও পণ্য পরিবহন করে। এর ফলে কামারখালী বাজারের ভেতরে ও বাইরে যানজট লেগেই থাকে। বাজারের মধ্যে নিয়ম না মেনে দিনরাত মালবাহী ট্রাক ও অন্যান্য যানবাহন যাতায়াতের কারণে যানজট সৃষ্টি হয়। অনেকে অভিযোগ করে বলেন, অটোরিকশা ও অটোবাইকগুলো বেআইনিভাবে স্ট্যান্ডে যত্রতত্র গাড়ির স্ট্যান্ড বানিয়ে যাত্রী ওঠানামা করলেও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয় না। এই অটোরিকশা, মাহিন্দ্র, গ্রামবাংলা, নছিমন ও অটোবাইকগুলোর চালকরাও অদক্ষ। ট্রাফিক আইন বলতে তারা কিছুই জানে না। যে কারণে দুর্ঘটনা বাড়ছে। আবার কামারখালী বাসষ্ঠান্ডের সড়কের অবস্থা তেমন ভালো না। পরিশেষে সকল পরিস্থিতি তদন্ত সাপেক্ষে বাংলাদেশ সড়ক ও জনপথ এবং কানাইপুর পুলিশ ফাঁড়ির কতৃপক্ষের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সচেতন নাগরিক দাবী জানান।