গড়াই নদীর তীব্র ভাঙ্গনে কয়েকটি গ্রামের মানুষ দিশেহারা

মধুখালী প্রতিনিধিঃ
গড়াই নদীর তীব্র ভাঙ্গনে ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার ডুমাইন ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর, ভেল্লাকান্দি এবং রাজধরপুর গ্রামের মানুষের কৃষি জমি সহ ফসলাদি নদী গর্ভে চলে যাচ্ছে। এ ব্যপারে আঃ জলিল মোল্যা, আবু তৌহিদ মোল্যা এবং মাসুদ বলেন আমাদের নদীর ধারে কৃষি জমি নদীর ভাঙ্গনে নদী গর্ভে চলে যাচ্ছে আর প্রায় ২০টি পরিবার এর ঘরবাড়ীর জায়গা জমি নদী গর্ভে চলে গেছে আর নদীর কুলের ভাঙ্গন দেখে নদীর ধারে বসবাসকারীরা দিশে হারা হয়ে পড়ছে। সোমবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় যাদের সামর্থ আছে তারা অনেকে ঘরবাড়ী ভেঙ্গে অন্যত্র ঘরবাড়ী তুলছে আর যাদের সামর্থ নাই তারা ভাঙ্গনের সাথে সংগ্রাম করে বসবাস করছে। এই ভাঙ্গন প্রায় ৫০০মিটার। এর মধ্যে দেখা যায় ১৫০মিটারের টিউব ব্যাগ-৭৫ (পচাত্তর) টি এবং জিও ব্যাগ ৫৪০০ (পাচঁ হাজার চারশত)টি দিয়ে ডাম্পিং এর কাজ শুরু হয়েছে। আর প্রায় ৩৫০মিটারের মধ্যে বসবাসকারীরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে।
আবার দেখা যায় নিশ্চিন্তপুর গ্রামের বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ আনোয়ার হোসেন বিশ্বাস এর বাড়ীর সাথে আঙ্গিনায় প্রতি বছর ফুরফুরা শরীফের ওয়াজ মাহফিল হয় সে জায়গাটাও নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এ ব্যপারে ডুমাইন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ খুরশিদ আলম মাসুম ও ইউ.পি. সদস্য মোঃ ইদ্রিস আলী মোল্যা বলেন আমরা আমাদের নদী ভাঙ্গন এলাকার কথা ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ মনজুর হোসেন বুলবুল এবং মধুখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানিয়েছি। তাদের মাধ্যমে কাজ হচ্ছে। তাই তিন গ্রামের মানুষের ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও মধুখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট দাবী এই নদী বাধের কাজের সাথে নিশ্চিন্তপুর, ভেল্লাকান্দি এবং রাজধরপুর গ্রামের দিশেহারা মানুষের জন্য নদী বাধের ব্যবস্থা করা হোক যাতে অত্র গ্রামের মানুষ শান্তিতে কৃষিকাজ করে খেয়ে পড়ে সুখে শান্তিতে বসবাস করতে পারে।