১৬ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ২রা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ ২৭শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি রোজঃ সোমবার
বাগাট

নির্বাচনে নৌকা প্রতিকের আবারও দাবীদার বাগাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ মতিয়ার রহমান খাঁন

নির্বাচনে নৌকা প্রতিকের আবারও দাবীদার বাগাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ মতিয়ার রহমান খাঁন এর ব্যক্তিগত পরিচয় ও চেয়ারম্যান থাকা কালীন বিগত ৫বছরে ইউনিয়নের উন্নয়ন মূলক কার্য-কলাপের বিবরন পেশ

মধুখালী প্রতিনিধিঃ


ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার বাগাট ইউনিয়নের সম্ভ্রান্ত খাঁন পরিবারের মরহুম আঃ আজিজ খাঁনের মেঝে ছেলে মোঃ মতিয়ার রহমান খাঁন। বর্তমান বাগাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। তার জীবনী বলতে গেলে বলতে হয় তিনি একজন সুদক্ষ মেধাবী ও বুদ্ধিমান, বিচক্ষন এবং মুজিব আদর্শে আদর্শিত মানুষ। জানা যায় তিনি ছাত্র জীবনে রাজনীতি করে ১৯৯০ইং সনে বাগাট ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক হয়ে পরবর্তীতে সভাপতি’র দায়িত্ব পালন করেন। শুধু তাই নয় তিনি ১৯৯৪ ইং সনে সরকারী আইন উদ্দিন কলেজ ছাত্রলীগ কমিটির সদস্য। ১৯৯৭ সালে ফরিদপুর রাজেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় মুসলীম হল শাখা ছাত্রলীগের সদস্য দায়িত্ব পালনের মধ্যে দিয়ে এম. কম (সম্মান) পর্যন্ত লেখাপড়া শেষ করেন। তারপর বাগাট উচ্চ বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা পরিষদের নির্বাচিত সদস্য ২০০৩-২০০৯ইং পর্যন্ত থাকা অবস্থায় একই সময় পর্যন্ত বাগাট ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন শেষে বর্তমান বাগাট ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক। এ ছাড়া তার পরিবারের আর যাহারা আছে তাদের ব্যক্তিগত পরিচয় হলঃ আপন ভাই মোঃ সাহেব আলী খাঁন সরকারী রাজেন্দ্র কলেজের মুসলিম হল শাখার সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। বাগাট ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ন আহবায়ক।

মোঃ রাজু খাঁন চাচাতো ভাই বাগাট ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি। মোঃ শামীম রেজা রনি চাচাতো ভাই বর্তমান ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের সহ- সম্পাদক। মোঃ শাহাদত হোসেন খাঁন আপন চাচা বাগাট বাজার বণিক সমিতির বারবার নির্বাচিত সাধারন সম্পাদক। মোঃ রেজাউল করিম খাঁন আপন চাচা বাগাট ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক। মাকসুদা পারভীন লাকি আপন চাচী বর্তমান বাগাট ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি। তার জীবনে ও পরিবারে নির্যাতনের শিকার নিম্নরূপঃ ১৯৯০ই সং স্বৈরাচার সরকার পতনের আন্দোলনে পরিবার পুলিশি হয়রানীর শিকার। ২০০১ইং সনে বি.এন.পি ও জামাতের নির্যাতন সহ জায়গা জমি বেদখলের শিকার। উক্ত পদে থাকা অবস্থায় গত ২০১৬ইং সনে বাগাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তৃনমূল আওয়ামীলীগ ভোটে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রদত্ত নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন চলাকালীন সময়ে বি.এন.পি. ও জামাত আমার ভাই অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য মোঃ আতিয়ার রহমান খাঁনকে নির্মম ভাবে হত্যা করে।

আপন ভাই হারানোর কষ্ট নিয়ে এরপরেও নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়। ভাই হত্যার যন্ত্রনা বিসর্জন দিয়ে জনগন ও ইউনিয়নের জন্য বিগত পাচ বছরে তিনি বাগাট ইউনিয়নে কি কি উন্নয়ন করেছেন তা বিস্তারিতঃ চেয়ারম্যান হয়ে তিনি জনগনের প্রত্যাশা নিয়ে বাগাট ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়ন করার লক্ষে কাজ শুরু করেন। তার উন্নয়নের কথা বলতে গেলে জানা যায় তিনি ইউনিয়নে কালভার্ট স্থাপন, শিক্ষা প্রতিষ্টানে আসবাবপত্র প্রদান, খাল-খনন, পুকুর খনন, রাস্তা- ঘাট এইচবিবি করন, রাস্তা সংস্করন, বক্স কালভাট নির্মান, ওজুখানা , পাবলিক টয়লেট নির্মান, বয়স্ক , বিধবা, পঙ্গু, মাতৃত্ব-ভাতা, ভিজিডি, জি আর, ভি.জি.এফ, স্ট্রিট লাইট স্থাপন, স্বাস্থ্য উপকরন, কৃষি উপকরন ইত্যাদি উন্নয়ন মূলক কাজ করেছেন । তাছাড়া তিনি দেশে করোনাকালীন সময়ে মানুষের পাশে থেকে সরকারী সাহায্যে সহযোগীতা এনে জনগনের মাঝে বিতরন করেছেন। সাধারন মৃত্যু থেকে করোনা হয়ে মৃত্যু মুসলমান ও হিন্দুদের সৎ কাজ করেছেন তিনি নিজ উদ্যোগে জীবনে মৃত্যুর ঝুকি নিয়ে একটি টিমের মাধ্যমে।

তিনি আরও বলেন আমার চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় আমাকে পাশ্ববর্তী ইউনিয়নে হত্যার মামলার আমি সহ আমার পরিবারের আসামী হতে হয়েছে। তবু আমি আমার ইউনিয়ন ও জনগনের উন্নয়নের জন্য পিছনের দিকে তাকায়নি। তাই আমার বাগাট ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়ন করতে আমার অনেক কাজ বাকি রয়ে গেছে । এরমধ্যে শেষ হয়ে গেল বিগত ৫বছরের নির্বাচন কিন্তু উন্নয়নের কাজ বাকী রয়ে গেল। তাই আপন ভাই হারিয়ে এই ৫ বছর ধরে তিনি জনগনের সাথে ও পাশে সুঃখ দুখের সাথী হয়ে আছে। আগামী দিনে থাকতে চাই এই লক্ষে এবং বাগাট ইউনিয়ন উন্নতির লক্ষে তিনি বাগাট ইউনিয়নবাসীর নিকট দোয়া প্রার্থী যাতে আবারও সবার দোয়ার বরকতে নৌকা প্রতিক পেয়ে নির্বাচন করে বিপুল ভোটে বিজয় হয়ে জনগনের খেদমত ও ডিজিটাল ইউনিয়ন গড়তে পারে এইজন্য তিনি জনগনের নিকট ভোট ও দোয়া প্রার্থী।