৭ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ২২শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ ১৮ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি রোজঃ শনিবার
আড়পাড়া

পূর্ব আড়পাড়া টিনসেড ঘরে চলছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রম

মধুখালী প্রতিনিধিঃ
মধুখালী উপজেলার ৫৫ নং পূর্ব আড়পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনগুলো প্রায় ৪বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় নতুন ভবন বরাদ্ধের কথা বলে ভেঙ্গে নেওয়া হচ্ছেনা ভবনটি । এই স্কুলটি ১৯৬৯ ইং সনে স্থাপিত হয়। পূনঃ নির্মান হয় ১৯৯৪ ইং সনে। এর পরে আজ পর্যন্ত নির্মাণ হয়নি কোনো ভবন। তবে নতুন ভবনের অপেক্ষায় না থেকে একটি টিন সেট ঘরের মধ্যেই চালানো হচ্ছে বিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রম। এতে নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। তাছাড়া ওই গ্রামে সরকারী ভাবে নেই কোন ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়ণ কেন্দ্র নেই। কিন্তু ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি ভেঙ্গে নেওয়ার উদ্যোগ নেই আবার কয়েক বছর কয়েক বছর পেরিয়ে গেলে ও আজ পর্যন্ত কোন নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়নি ওই জায়গায়। তবে সরকারী ভাবে ভবন নির্মাণ হবে এ আশায় রয়েছেন শিক্ষক, ছাত্র ছাত্রী ও অভিভাবকরা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে শিশু শ্রেণির ৩২ জন সহ ২০৭ জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে বিপাকে রয়েছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। তবে স্কুলে ছেলেমেয়েদের রেজাল্ট বরাবরই ভালো। আবার প্রচন্ড গরমে ঘরটির ভিতরে ক্লাস করাই হয়ে যায় দুঃসাধ্য। তখন খোলা আকাশের নিচেই পাঠদান করাতে হয় শিক্ষার্থীদের। শীতকাল এসেছে। ক্লাসের ভিতরে শীতের কুয়াশায় টিনবিজে যাবে। ছোট ছোট শিক্ষার্থী শীত ভোগ করবে। যার কারণে বিদ্যালয়ে দিন দিন কমছে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও। তবুও নানান সমস্যার মধ্যে ও নিয়মিত পাঠদানের চেষ্টা করছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। আবার বৃষ্টি হলেই লাইব্রেরী কক্ষে পানি পড়ে ভিজে যায় শিক্ষক মিলনায়তনের গুরুত্ব¡পূর্ণ কাগজপত্র ও আসবাবপত্র।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সৈয়দা সায়েদুন্নাহার বলেন, ১৯৬৯ইং সনে স্থাপিত ভবনটি ২০১৯ সালে ভবনটি ঝুকিপূর্ণ হওয়ায় পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে । এর মধ্যে একটি টিনসেট ঘর করে ক্লাস নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত এ বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের বিষয়ে কোনো অগ্রগতি নেই কতৃপক্ষের, স্কুলের চারপাশে কোন বাউন্ডারী নাই, স্কুলে চারপাশের তিনপাশ গ্রাম এবং এক পাশ রাস্তা ও খাল ফলে স্কুলের বাউন্ডারী এবং স্কুলের মাঠে মাটি ভরাট অতি জরুরী। কারন মাঠ নিচে। যার জন্য বৃস্টি হলেই মাঠে পানি আর পানি। ফলে আমরা চাই কমলমতি শিক্ষার্থীদের কথা ভেবে শিক্ষার মান অগ্রগতির লক্ষ্যে কতৃপর্ক্ষ যেন দ্রুত এ বিদ্যালয়ের ভবনটি নির্মার্ণের আশু পদক্ষেপ নেয়।