১০ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ২৭শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ২৩শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি রোজঃ রবিবার
বিশেষ ব্যক্তিত্ব

বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফ (১ মে ১৯৪৩ – ৮ এপ্রিল ১৯৭১), আমাদের গর্ব একজন বীরশ্রেষ্ঠের গল্প।

বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফ (১ মে ১৯৪৩ – ৮ এপ্রিল ১৯৭১), আমাদের গর্ব একজন বীরশ্রেষ্ঠের গল্প।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে চরম সাহসিকতা আর অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ যে সাতজন বীরকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান “বীর শ্রেষ্ঠ” উপাধিতে ভূষিত করা হয় তিনি তাঁদের অন্যতম। তিনি ১৯৬৩ সালের ৮ মে পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলসে যোগদান করেন এবং মুক্তিযুদ্ধের সময়ে তিনি নিয়মিত পদাতিক সৈন্য হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পার্বত্য চট্টগ্রামের বুড়িঘাট গ্রামে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ সমরে ১৯৭১ সালের ৮ এপ্রিল তিনি মর্টার শেলের আঘাতে শহীদ হন। তাঁকে রাঙামাটি জেলার নানিয়ারচর উপজেলার বুড়িঘাটে একটি টিলার ওপর সমাহিত করা হয়।

শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফের সমাধিস্তম্ভ, বুড়িঘাট, নানিয়ারচর, রাঙামাটি – উত্তর দিক থেকে দৃশ্য

জন্ম ও শৈশব
মুন্সি আব্দুর রউফ ১৯৪৩ সালের ১ মে ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার (পূর্বে বোয়ালমারী উপজেলার অন্তর্গত) সালামতপুরে (বর্তমান নাম রউফ নগর)গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা মুন্সি মেহেদি হাসান ছিলেন স্থানীয় মসজিদের ইমাম এবং মাতা মুকিদুন্নেসা। তাঁর ডাকনাম ছিলো রব। তাঁর দুই বোনের নাম ছিল জোহরা এবং হাজেরা। তিনি সাহসী ও মেধাবী ছিলেন, কিন্তু লেখাপড়ার প্রতি তেমন ঝোঁক ছিলো না। শৈশবে তাঁর বাবার কাছে লেখাপড়ার হাতেখড়ি হয়।

চলমান…..