১৪ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১লা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ ২৫শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি রোজঃ শনিবার
কবিতা

বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিশিষ্ট কবি জনাব গোলাম কুদ্দুস মল্লিক।

আমার খুব প্রিয় শ্রদ্ধাভাজন একজন মানুষ, আপনাদের সুপরিচিত একজন সাদা মনের মানুষ। বাড়ি ডুমাইন ইউনিয়নে। আমাদের এলাকার গর্ব। তার কিছু কথা ও একটি কবিতা আপনাদের জন্য-

যে বই পড়, তার শক্র কম । যে যত বই পড়ে তার ততো জ্ঞান ।
সেই ধিমান । জ্ঞান মানুষকে বাচায়ে রাখে । পরিতাপের বিষয়,
বাধ্যতামূলক পাঠ্য বই ছাড়া, কবি সাহিত্যিকের বই মানুষ ধরেও দেখে না ।
তবুও বাংলার লেখক লেখিকাগন বসে নেই, তারা যুগোপযোগী লিখেই চলেছে । এ-তো কবিতা নয় পাগলরে প্রলাপ ।

সে’জুতি
গোলাম কুদ্দুস মল্লিক


পথ রুদ্ধিয়া বলি মোর দাদু- একটি কবিতা লিখে,
আমারে কিন্তু দিতে হবে জাদু- দিতে হবে প্রেম শিখে।
কোন সে সতী মায়ের উদরে
এলো এ কোন মায়ার ভূদরে।
দিদি, জেটি মিলে নাম রেখে দিলে, শ্রীমতী সে’জুতি মালো,
রাধা রানী সম ভালোবেসে মোরে জগৎ করো যে আলো।
নাতী নও তুমি বন্ধু মম-
রচনা শক্তি দেবী, নম নম।
এই কবিতার তুমি ব্যঞ্জন, ভাব, রস, সুর, জ্যোতী,
ছিন্ন পাতায় লিখি তব নাম-মুখ লুকা বলি সে’জুতি।
আমি কেমন আছি যানিতে চাও
তোমার কসুল লুকায়ে নাও।
নাই সম তুল ননীর পুতুল কাঁকড়ায় বাঁধা বেনী,
যুগোল নুপুর চরণ জড়ায়ে করে কি যে কানাকানি।
দুর হতে মোরে দেখিলে জানি
বুকের উর্ণা করো টানাটানি।
যৌবন ভয়, শরম, সততা, সতত রয়েছে তব,
হৃদয় কুঠিরে বোবা প্রেম শুধু খোঁজে প্রিয় নব নব।
মনে হয় তুমি পাশে বসে মোরে
কলম কাগজ যোগাও ওরে।
স্বপনে তোমায় দেখিলাম হায় সাজিয়াছ কার বধু,
কোন সে নাগর চোখ ইশারায় তোমারে করেছে জাদু।
এই কবিতা, সুর ও ছন্দে
তোমার স্মৃতি আঁকি আনন্দে।
অমর হইয়া থাকো চিরদিন থাকো পাঠক হৃদয়ে,
নিংরানো প্রেম, মঙ্গল, আশিষ নাও এ কাব্য বিদায়ে।