মধুখালীতে একই রাতে টিনের চাল ও বেড়া এবং সিলিং কেটে ৪টি দোকানে চুরি

মধুখালী প্রতিনিধিঃ
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কামারখালী বাজারে চোরের দল বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। একের পর এক চুরির ঘটনা ঘটছে। বাজারে পাহারাদার দিয়ে চুরি ঠেকানো যাচ্ছে না। এ ব্যাপারে স্থানীয় বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটিকে অবগত করেও কোনো প্রতিকার না পেয়ে আতঙ্কে রয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। বৃহস্পতিবার (১১ই আগষ্ঠ) দিবাগত রাতে চালের টিন কেটে দুটি ও একটি মেরামত কৃত খোলা ঘর দিয়ে প্রবেশ করে বাশের সিলিং প্লাস্টিকের সিলিং কেটে মোট চারটি দোকান-ঘরে চুরির ঘটনা ঘটে। এতে ব্যবসায়ীদের নগদ প্রায় (হাবিব-১৫০০) টাকা ও জুবায়েত মুন্সী’র নগদ প্রায় ৩০০০ (তিনহাজার) টাকা, মাজন মিয়া (৩১০০) টাকা এবং মনিরুল এর(৩৫০০)টাকা সহ মোট ১১ হাজার একশ টাকা চুরি যায়।

আরো জানা যায় হাবিবের দোকান থেকে সিমযুক্ত একটি টার্চ মোবাইল নিয়ে যায় এবং দুজনের ক্যাশ ড্রয়ার ভাঙ্গা এবং মালামাল ছড়ানো ছিটানো আর মাজন মিয়ার দোকান থেকে পুরাতন বড় মোবাইল ৩টা, ছোট ৩টা , নতুন ছোট ২টা মোবাইলএবং কাভার ১৫ সেট আর কেহ মালামাল চুরির সঠিক মূহুর্তের মধ্যে সঠিক হিসাব দিতে পারছে না ব্যবসায়ীরা পরবর্তীতে জানাবে। শুক্রবার সকাল ৭.৩০মিনেটের এবং ৯.৩০মিনিটের সময় দোকান খুলার পর চুরির ঘটনাটি জানা জানি হয়। দোকান বারবার এভাবে চুরির ঘটনা ঘটতে থাকায় ব্যবসায়ীদের মাঝে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, প্রতিদিনের মতো ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ করে বাড়ি যান। রাতের কোনো এক সময় সংঘবদ্ধ চোরের দল পরিকল্পিতভাবে দোকানে চালার ও বেড়ার টিন কেটে হাবিব এন্টারপ্রাইজ ও সালমা গ্যালারী’তে ঢুকে টাকা চুরি করে নিয়ে যায় তারা।

এছাড়াও বিগত দিনে বাজারে আরো কয়েকটি দোকান-ঘরে চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে জানান স্থানীয়রা। ব্যবসায়ীরা জানান, একের পর এক চুরি হতে থাকলেও চোরের দলকে ঠেকানো যাচ্ছে না। চোরদের আটক, চুরি ঠেকানো ও চুরি যাওয়া মাল উদ্ধার করতে পারছি না । বিষয়টি বাজার বণিক সমিতি ও মধুখালী থানা প্রশাসনকে অবগত করা হয়েছে। তাই প্রশাসনের ও কামারখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এবং বাজার কমিটির নিকট বাজার ব্যবসায়ীরা বাজারের দোকান পাঠ চুরি না হওয়ার একটি স্থায়ী সমাধান দাবী করেন।