১৬ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ২রা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ ২৭শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি রোজঃ সোমবার
কামারখালী

মধুখালীতে প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি-৪

মধুখালী প্রতিনিধিঃ


ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কামারখালী ইউনিয়নের চরকসুন্দি গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় ৬ জন আহত হয়েছে এর মধ্যে ৪ জন গুরুতর অবস্থায় ঢাকা সহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। বৃহস্পতিবার এই হামলার ঘটনা ঘটে। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায় মুরাদ, শরীফ, শামীম, ফারুক একসাথে মাছের ব্যবসা করে। বিলে চায়না ধোয়ার চুরি হওয়াকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ী মুরাদ ও শামীম এর মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়। এক পর্যায় দুইজনের মধ্যে হাত দিয়ে মারামারি হয় । আর এই মারধরকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার সকালে শহীদ খাঁন, জীবুল খাঁন, শহিদুল খাঁন, শামীম খাঁন সহ আরো অনেকে বাড়ীর উপরে এসে তছির সেখ, মুরাদ সেখ, সেলিম শেখ এবং ফারুককে হাতুরী, গাছের ঢাল, লাঠি, কাঠের বাটাম দিয়ে মারধর করতে থাকে।

ওই সময় মুরাদ ও তছিরের ডাক চিৎকারে ফাতেমা বেগম এবং সাথী বেগম আসলে তারাও মারধরের শিকার হন। সেই সময় এলাকার আশেপাশে লোকজন এগিয়ে আসলে হামালাকারী মারাধরা করে চলে যায়। পরে আহতদের উদ্ধার করে মধুখালী থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে এলে ডাঃ মোঃ কবির সরদার বলেন তার মাথায় হাতুরীর প্রচন্ড আঘাত ফরিদপুর নিতে হবে। পওে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজে নিলে ডাক্তার বেগতিক দেখে মোঃ মুরাদকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা প্রেরন করেন। আর ৩ জন মধুখালী ও ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

হামলায় আহত মোঃ তছির সেখ বলেন, আমার ছেলে মোঃ মুরাদ ও শামীম এর সাথে জাল চুরি জরিমানার টাকা আদায় নিয়ে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয় আর সেই সূত্র ধরেই তারা আমাকে একা পেয়ে মারধর করে আমার ডান হাত ভেঙ্গে দেয় এবং আমাকে এলোপাতারি মারধর করে। হামলার সময় আমাকে বাঁচাতে এসে স্ত্রী ফাতেমা ও বেটার বউ সাথী বেগম হামলার শিকার হন এবং দোকান পাট ভাংচুর করে নগদ টাকা ও স্বর্নালংকার হামলাকারীরা নিয়ে যায় । হামলার বিষয়ে তছির আরও বলেন তাদের সাথে দীর্ঘ দিন জমি সংক্রান্ত ঝামেলা আছে। এদিকে হামলার ঘটনায় মধুখালী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করবেন বলে জানা যায়।