সিত্রাং ঘূর্নিঝড়ে ও প্রবল বর্ষনে মানুষ ঘরমুখো

মধুখালী প্রতিনিধিঃ
প্রকৃতির সাথে সংগ্রাম করার কারো হাত নাই। প্রকৃতি তার নিজ গতিতে চলে। কারো কথা শোনে। যা হবে তা ঘটে যাবে। এমনি ভাবে ঘটে গেল প্রবল বর্ষন ও সিত্রাং ঘূর্নিঝড় । এই প্রবল বর্ষন ও ঘূর্নিঝড়ে প্রতিদিনের দিন মুজুর থমকে যায়। হয়ে যায় ঘরমুখো। নেমে আসে গরীবের ঘরে অভাব। পাশা পাশি বিদ্যুৎ না থাকার কারনে হয়ে যায় ঘরবাড়ী অন্ধকার. বিদুৎতের অভাবে বন্দ হয়ে যায় সকল প্রকার অফিসিয়াল কাজকর্ম এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা। মানুষ বিদ্যৎ এর কারনে ভ‚লে গেছে চ্যারাগ ও হারিকেনের আলো জ¦ালানো। তাও আবার গরীবের আয়ত্বের বাইরে চলে গেছে জ¦ালানীর দাম। তাছাড়া বাজারের প্রতিটি জিনিষের দাম গরীবের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। বলতে হয় প্রকৃতি যেমন মানুষ নিয়ন্ত্রন করতে পারে না সম্পূর্ন আল্লাহ্’র হাত । তবে বাজার নিয়ন্ত্রন করা মানুষের হাত।
মহান সৃস্টিকর্তা আবহাওয়া ভালো করে দিক আর মানুষ কর্মের দিকে ঝুকে পড়–ক এই প্রত্যাশা নিয়ে ঘরমুখো মানুষ কর্মের দিকে ঝাপিয়ে পড়ার আশায় মহান সৃস্টিকর্তার রহমতের দিকে তাকিয়ে আছে কখন আবহাওয়া আল্লাহ মানুষের দিকে তাকিয়ে আকাশ ও আবহাওয়া ভালো করে দেন। বর্তমান মঙ্গলবার বিকাল হতে হতে আবহাওয়া ভালো হয়ে গেল আল্লাহ’র রহমতে। খোদার মেহেরবানীতে এই ঘূর্নিঝড়ে মধুখালী উপজেলার মধ্যে তেমন কোন বড় ধরনের ক্ষতি হয় নাই। তাই বাজারের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিষের দাম মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে আনার জন্য অচিরেই গরীব অসহায় মানুষ সরকারের নিকট দাবী জানান।