১৭ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৩রা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ ২৮শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি রোজঃ মঙ্গলবার
কামারখালী

স্কুল নয়, যেনো টিনের ঘর!

মধুখালী প্রতিনিধিঃ
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কামারখালী ইউনিয়নের গয়েশপুর-বকসিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বেহাল দশা দেখলে মনে হয় । কাছে গেলে দেখা যায় স্কুলের সাইনবোর্ড নাই। নেই ঠিক মতো ক্লাস রুম, লাইব্রেরী নেই। না আছে শিক্ষার্থীদের বসার মতো পর্যাপ্ত বেঞ্চ ও শিক্ষকের বসার চেয়ারও খাতা কলম রাখার টেবিল। সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, স্কুলটি প্রতিষ্টিত হয় ১৯৭৩ সালে। বর্তমান স্কুলটি টিন দিয়ে মেরামত করা হয়েছে। এরপর আর কোনো মেরামত এর কাজ হয় নাই। ওই টিনশেট ভবনটি এখন জরাজীর্ণ। জানালা-দরজা নেই । বর্ষার সময় ক্লাস করানো যায় না কারন নদীর পানিতে স্কুলের মাঠ তলিয়ে যায়। বৃষ্টি হলে শিক্ষার্থীরা ক্লাস করতে পারে না। শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা ঠিক লেখাপড়া করতে পরি না। বর্ষাকালে টিনের -ঘরে পানি উঠে চেয়ার টেবিল, বেঞ্চ, বই খাতা ভিজে যাচ্ছে।

কষ্ট করে লেখাপড়া করতে হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আবেদন আমরা স্কুলে যেন একটি ভবন পাই। স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তয়েবুর রহমান বলেন, আমি এই বিদ্যালয়ের জন্য অত্যান্ত পরিশ্রম করে আসছি। কিন্তু কোনো দিক দিয়ে আগাতে পারছি না। বারবার উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সহ সংশ্লিষ্ঠ ব্যক্তিবর্গকে ভবনের জরাজীর্ণ অবস্থা সম্পর্কে জানালেও কোনো কাজ হয়নি। টিনের ঘর মাথার উপরে থাকার কারনে তীব্র গরমে শিক্ষার্থীরা ক্লাস করতে রাজি হচ্ছে না। মাঝে মধ্যে শিক্ষা অফিসের লোকজন এসে স্কুল দেখে যান, কিন্তু ওই পর্যন্ত কোনো রেজাল্ট আমরা পাই না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আকুল আবেদন যাহাতে আমার এই স্কুলে একটি ভবন পাই। এই বিষয়ে স্কুলের সভাপতি ও কামারখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি এবং কামারখালী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ জাহিদুর রহমান বিশ্বাস বলেন স্কুলটি ছিল নদীর ওপার ।

প্রতি বছর বারবার নদীর করাল গ্রাসে ভেঙ্গে যায় স্কুল নতুন করে উঠানোর আর কোন জমি না থাকায় এবার গয়েশপুর গ্রামে আমার পিতা মরহুম বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ আঃ কুদ্দুস বিশ্বাস (কামারখালী ইউনিয়নের বারবার সাবেক চেয়ারম্যান, অবসরপ্রাপ্ত ষিক্ষক এবং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের বারবার সাবেক সভাপতি ছিলেন) এর নামীয় জমি ৫৫শতাংশ স্কুলের নামে রেজিস্টারী করে দিয়েছি এখন পর্যন্ত স্কুল ভালো ভাবে মেরামত করতে পারি নাই। এই মূহুতে স্কুলের ভবন সহ রাস্তা-ঘাট এবং অন্যান্য আসবারপত্র একান্ত প্রয়োজন। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা পারমীস সুলতানাকে বিষয়টি নিশ্চিন্ত করে এই স্কুলের ভবন সহ অন্যান্য সকল চাহিদা পূরনের জন্য এই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অন্যান্য শিক্ষকমন্ডলী , অভিভাবকমন্ডলী এবং সকল শিক্ষার্থীর তার নিকট জোর দাবী জানান যাতে আমাদের মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার মাধ্যমে সকল সমস্যা সমাধান করে দেন