১৭ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৩রা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ ২৮শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি রোজঃ মঙ্গলবার
কামারখালী

সড়ক নয় যেন মরণ ফাঁদ

কামারখালী প্রতিনিধিঃ
দেশের অন্যতম ব্যস্ততম ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের কামারখালী বীরশ্রেষ্ট আঃ রউফ ডিগ্রী কলেজ হইতে কামারখালী গড়াই টোল অফিস পর পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটির কিছু অংশ যেন এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। এই মহাসড়কটির ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার কামারখালী সড়কে বেশ কিছু অংশে বড় বড় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে অল্প বৃষ্টিতেই সড়কের ওইসব অংশে যান চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। এতে বেশি ভোগান্তিতে পড়েন দূর পাল্লার যাত্রী এবং মালবাহী যানবাহনগুলো। এক বছর শুরুর দিকে সামান্য গর্তের সৃষ্টি হলেও এখন তা মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। প্রায় প্রতিদিনই এসব স্থানে ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। অথচ দীর্ঘ দিনেও স্থায়ী কোন ব্যবস্থা নেয়নি সড়ক ও জনপদ বিভাগ ইট দিয়ে কাজ করেছেন।

বিশেষ করে আড়পাড়া সোনা মোল্যার অফিস থেকে মুসার হোটেল এর আগ পযর্ন্ত সড়কে পিচ কার্পেটিং উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় খানা খন্দের। দেখলে মনে হয় এ যেন সড়ক নয়, মরণ ফাঁদ। একটু বৃষ্টি হলেই সড়কের এসব খানা খন্দ পানিতে ভরে গিয়ে বিঘ্ন ঘটে যান চলাচলে। তবে নিশ্চিত বিপদ জেনেও বাধ্য হয়েই এই পথে চলাচল করছে ভুক্তভোগীরা এছাড়া দুর্ঘটনা এড়াতে মহাসড়কটিতে ধীর গতিতে চলছে যানবাহন। ফলে সময়ও বেশি ভ্যান চালক মোঃ হাবিব হোসেন জানান, সড়কের খারাপ অবস্থার কারণে ভ্যানে যাত্রী নিয়ে এই পথটুকু পার হতেই অনেক ভয় লাগে। রাস্তায় বড় বড় গর্তগুলো বৃষ্টির পানিতে ভরে থাকায় প্রায়ই ভ্যান সহ অটো রিকসা, নছিমন, ট্র্যাক উল্টে যায়। এমনকি পাশ দিয়ে দূরপাল্লার গাড়ি গেলে রাস্তার পচা পানিগুলো ছিটে শরীর ভরে যায়। গ্রাম্য ডাক্তার মোঃ কবির হোসাইন নামের এক মোটরসাইকেল চালক জানান, কামারখালী টোলভিট এর আগ হইতে কামারখালী বীরশ্রেষ্ট আঃ রউফ সরকারী কলেজ পর্যন্ত যেতেই ভয় লাগে। কখন যেন পানি জমা ডোবা বড় গর্তে পড়ে যাই। সরেজমিন দেখা যায়, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের সবচেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ন কামারখালী টোল অফিস এর আগ থেকে কলেজের মোড় পর্যন্ত।

অথচ এই এলাকাটুকু একেবারে বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। অত্যান্ত ব্যস্ত মহাসড়কের মধ্যে প্রায় শত শত খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এতে যানবাহন চলাচল মারাত্মক ব্যহত হচ্ছে। সড়কের গর্তের জন্য ঘটছে ছোটখাট দুর্ঘটনাও। গত ঈদের আগে মহাসড়কে ইটের কাজ করলেও বৃষ্টির কারণে এক মাস যেতে না যেতেই অত্যন্ত বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। গত ৮/৯ দিন ধরে মহাসড়কের বেহাল অবস্থার কারণে যানবাহন চলাচলে দুরবস্থা এবং যাত্রীরা দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে এবং যানজটের সৃস্টি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন যানবাহনের চালক ও সাধারণ যাত্রীরা। এসব ব্যাপারে ফরিদপুর সড়ক ও জনপথ কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইমরান ফারহান সুমেল এর সাথে মোবাইলে কথা বললে তিনি বলেন বৃস্টির কারনে এ রকম অবস্থা হয়েছে তবে দ্রæত ব্যবস্থা করা হবে।