আড়তে ও বাজারে ইলিশের দাম চড়া

কামারখালী প্রতিনিধিঃ
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার মধ্যে মধুখালী ও কামারখালী ইলিশের আড়ত । মধুখালীর চেয়ে কামারখালী আড়ত বড় না হলেও কামারখালী আড়তে ইলিশ বেশী আমদানী হয়। কামারখালী আড়তে ইলিশের মোকাম আছে ৭জনের। কামারখালী আড়তে বাইরে থেকে মাছ ক্রেতার আমদানী কম। এই আড়তে স্থানীয় ক্রেতার সংখ্যা বেশী। আর আড়তদার আহাদ বড় পাটি। এই সময় মাছের আমদানী বেশী হলেও মাছের দাম কমছে না । ফলে আড়তে ও বাজারে ইলিশের দাম চড়া। এ ব্যপারে একজন ইলিশ মাছের দোকানদার বলেন আমাদের আড়তে বাইরের ক্রেতার আমদানী কম এলাকার ক্রেতা বেশী । তাছাড়া আমরা বেশীর ভাগ ইলিশ মাছ ক্রয় করি বাকীতে, বিক্রয় করে মহাজনের টাকা দেয় এই জন্য আড়তে ইলিশের দাম চড়া । ফলে আমাদের বাজারে বিক্রী করতে হয় বেশী দামে।

এ ব্যপারে একজন আড়তদার বলেন আমাদের বেশী দামে ইলিশ আমদানী করতে হয়। তাই আড়তে দাম বেশী। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় কামারখালী আড়তে এবং বাজারে সিন্টিকেট আছে। যার কারনে আড়তে ইলিশ বেশী আমদানী হলেও দাম কমছে না। বাজার ও আড়ত ঘুরে দেখা যায় জাটকা যে ইলিশ ২৫০ টাকা কেজি বর্তমান ৫০০টাকা কেজি বিক্রী হচ্ছে আর বড় ইলিশতো আকাশ ছোয়া দাম । আবার অনেক ক্রেতার মাথায় হাত। ফলে গ্রামের গরীব মানুষের ভাগ্যে ইলিশ মাছ জুটছে না। তাই ভোক্তা অধিকারের বাজার মনিটরিং একটি অভিযান মোকাম, আড়ত ও বাজারে একান্ত প্রয়োজন।