২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৮ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ১২ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি রোজঃ বুধবার
কামারখালী

সবজির খুচরা বাজার গরম, লাফিয়ে বাড়লো কাঁচা মরিচের দাম

মধুখালী প্রতিনিধিঃ
এমনিতেই দীর্ঘদিন ধরেই নিত্যপণ্য, কাঁচাবাজার, মাছ-মাংস, এমনকি মসলাজাত পণ্যের দামে হাঁসফাঁস অবস্থা সাধারণ মানুষের। বাজারে সরবারহে খুব একটা ঘাটতি না থাকলেও বেশিরভাগ পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী। সপ্তাহের ব্যবধানেই দাম বেড়ে যাচ্ছে বিভিন্ন সবজির। বিশেষ করে কাঁচা মরিচের দাম সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি ২৪০ টাকা বেড়ে ৪৮০ টাকা হয়েছে। এরপর গত মুসলধারে বৃস্টির কারনে শুক্রবার (১১ অক্টোবর ) মধুখালী উপজেলার কামারখালী বাজার ও হাট ঘুরে দেখা গেছে, আগের চেয়ে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে শাক-সবজি, চিনি, চাল, আটা, ডাল ও মাছ-মাংস। আলুর ছড়াছড়ি থাকলেও দাম কমছে না। ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে আলু। পেঁপে ৩০ টাকা, বেগুনও ১০০ টাকা ছুঁই ছুঁই। করলা ১০০ টাকা, ঢেঁড়স ৮০ টাকা, বরবটি ১০০ টাকা ও মান ও জাতভেদে পটল -৭০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। স্থান ও মানভেদে কাঁচামরিচ ৪৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, চিচিঙ্গা ৮০-১০০ টাকা, ঝিঙা ৬০-৭০ টাকা, কচুর লতি ৭০ টাকা, কচুর মুখী মানভেদে ৬০ টাকা, গাজর ৮০ টাকা, শসা ৬০ টাকা ও কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা হালি। বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়।

কেজিতে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে দেশি রসুন ২৪০ টাকা এবং আদা আগের বাড়তি দামেই ২২০ থেকে ২৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। মাংসের বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, গরুর মাংসের কেজি ৭৫০- টাকা। ব্রয়লার মুরগির দাম কিছুটা বেড়েছে এ সপ্তাহে। প্রতি কেজি স্থানভেদে ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহেও ১০-২০ টাকা পর্যন্ত কম ছিল। এছাড়া সোনালি ও লেয়ার জাতের মুরগির কেজি স্থানভেদে থেকে ২৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংস আগের মতোই ১০০০ থেকে ১১০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। মাছের বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, পাঙ্গাস বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকা। আকার ও মানভেদে অনেকটা একই দামে বিক্রি হচ্ছে তেলাপিয়া। চাষের কই ২৫০ টাকার নিচে মিলছে না। আকারভেদে রুই-কাতলার দাম হাঁকানো হচ্ছে ৩৫০ টাকা কেজি। দেশি শোল মাছ প্রতি কেজি ৯০০ থেকে ১ হাজার টাকা। আকারভেদে শিং মাছ ও বাইলা মাছ প্রতি কেজি প্রকার ভেদে ৬০০-৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে পাবদা মাছ ৪০০ টাকা বাইম মাছ ৮০০টাকা থেকে ১ হাজার টাকা কেজিতে বিক্রি হতে দেখা গেছে। দশেে এই মূর্হুতে বাজার মনটিরংি করে বাজার সন্ডিকিটে ভাঙ্গলে মানুষ সাধারন মানুষ সহ অসহায় গরীব মানুষ কছিুটা স্বস্থি পাবে ।