২৮শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৩ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ১৪ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি রোজঃ মঙ্গলবার
কামারখালী

সালামতপুর (বর্তমান রউফনগর) গ্রামের মানুষের দূর্ভোগের শেষ নাই

কামারখালী প্রতিনিধিঃ
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কামারখালী ইউনিয়ন সালামতপুর (বর্তমান রউফনগর) গ্রামের মানুষের গর্ব আছে কারন সাতজন বীরশ্রেষ্টের মধ্যে একজনের জন্ম এই সালামতপুর বর্তমান রউফ নগর গ্রামে যার নাম শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ। গর্বের পাশাপাশি দূর্ভোগের শেষ নাই। আনন্দ আছে কিন্তু দেখার কিছু নাই। কারন বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ স্মৃতি গ্রন্থগার ও যাদুঘর আছে কিন্তু দেখার ভাল কিছু নাই আবার রাস্তাও নাই যা আছে তাও আবার দুইপাশের রাস্তা ভাঙ্গা মাঝখানে আবার ইটের রাস্তা সেটাও মেরামত নাই বেহালদশা। সালামতপুর গ্রামের মানুষ সহ কামারখালী ইউনিয়নের ১৪টি গ্রামের মানুষের যাতায়াতের পথের মধ্যে সালামতপুর নদীর কুলের রাস্তা একেবারে নদীর করাল গ্রাসে রাস্তা ভেঙ্গে ঘরবাড়ী সহ রাস্তা নদীগর্ভে চলে গিয়ে বর্তমান রাস্তা বন্দ।

আবার দয়ারামপুর ও নাওড়াপাড়া এবং গন্ধখালী সহ অন্যান্য গ্রামের মানুষের চলাচলের রাস্তা গন্ধখালী মতিয়ার ও ইউনুচ মৃধার বাড়ীর সামনের রাস্তা নদী গর্ভে চলে গিয়ে মানুষের যাতায়াতের চরম দূর্ভোগ যার কোন শেষ নাই। মানুষ শুধু আশায় আছে কবে এই রাস্তা সরকার মেরামত করবে আর কবে বীরশ্রেষ্ট এলাকার মানুষের শান্তি ফিরে আসবে এই আশায় মানুষ পথ পানে চেয়ে আছে কবে তাদের আবার গর্বে বুকভরে আসবে। তাছাড়া এই রাস্তার অভাবে ও সময়ের অভাবে মানুষ চিকিৎসা বিনা বাড়ীতে মারা যাবে কারন যাতায়াতের দ্রুত কোন ব্যবস্থা নাই। তাই স্থানীয় সরকার তথা কামারখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ জাহিদুর রহমান বিশ্বাস (বাবু)’র নিকট গ্রামবাসীর দাবী সু-দৃস্টি দিয়ে অতিদ্রæত মানুষের দূর্ভোগের দৃশ্য স্বচিত্রে দেখে কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নদী বাধ ও রাস্তা মেরামত করা হোক।