৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ১৮ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি রোজঃ বৃহস্পতিবার
কামারখালী

কামারখালীতে শীতের পিঠা বিক্রির ধুম

মধুখালী প্রতিনিধিঃ
শীতের বিকালে মাটির চুলায় মায়ের হাতে বানানো ভাপা, চিতই সহ হরেক পিঠা খাওয়াটার সৌভাগ্য এখন আর খুব বেশি মানুষের হয় না। তবে বিভিন্ন অস্থায়ী দোকানে বানানো পিঠা খাওয়ার ধুম পরেছে ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কামারখালী বাজারের বিভিন্ন রাস্তার পাশে ও পাড়া মহল্লায়। উপজেলার কামারখালী বাজার এখন পিঠার ঘ্রান। এসব পিঠায় মায়ের আদর মাখা না থাকলেও আছে বাজারের ব্যবসায়ীদের যতœ। রাস্তায় অলিগলি ও ফুটপাতে পছন্দের শীতের পিঠা খেতে পেরে খুশি মধুখালী উপজেলার কামারখালী বাজারের মানুষগুলো। সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন বাজারের অধিকাংশ স্থানে বসেছে অস্থায়ী পিঠা বিক্রির দোকান। অল্প পুঁজি আর কম পরিশ্রমে বেশি লাভ হওয়ায় পিঠা ব্যবসায় নেমেছেন অনেকেই। দোকানগুলোয় পিঠার পাশাপাশি থাকছে হরেক ভর্তা। প্রতিদিন বিকেল থেকেই পিঠা বিক্রির ধুম পড়ে মোড়ের দোকানগুলোয়। সন্ধ্যা হলেই বেড়ে যায় ক্রেতা সমাগম, যা গভীর রাত পর্যন্ত থাকে।

ধনিয়া , রাই, সর্ষে ও কচু শাক ভর্তাসহ নানা রকম উপকরণ মিলিয়ে বিক্রি করা হয় চিতই পিঠা। সন্ধ্যায় হিমেল হাওয়ায় খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে পিঠা খেতে অনেকেই ভিড় জমাচ্ছেন ভ্রাম্যমাণ পিঠার দোকানগুলো। কামারখালী বাজারের পিঠা বিক্রেতা চৌধুরী মোড় উজ্জ্বল বিশ্বাস, রোকয়া বেগম এবং নলোপাড়ার মোড় বাজারের বশিরের মা এবং ছলেমানের মা জানান, চিতই, ভাপাপিঠা সহ বিভিন্ন ধরনের পিঠা বিক্রি করেন তাঁরা। এর মধ্যে ভাপা আর চিতই পিঠার কদর বেশি। বেচা হয় পিচ পাঁচ ও দশ টাকা করে। সহকর্মীদের নিয়ে পিঠা খেতে আসা নাজমুল মুন্সী বলেন, শীতের সন্ধ্যায় চিতই পিঠার সঙ্গে সরিষা ও ধনে পাতা ভর্তার স্বাদের তুলনা নেই। পিঠা খেতে সুফিয়া বেগম বলেন, দিনে কাঠের ভূষির ব্যবসায়ী কাজ শেষ করে পিঠা খেতে এসেছি। বিভিন্ন ভর্তা দিয়ে পিঠা খেতে ভারি মজা লাগে।