২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ১৫ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি রোজঃ বুধবার
কামারখালী

কামারখালী মহাসড়কে অবৈধ স্থাপনা

মধুখালী প্রতিনিধিঃ
ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে পাশে কামরখালীতে অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে। সড়ক দুর্ঘটনা, যানজটসহ যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতার অন্যতম কারণ অবৈধ স্থাপনা। ভুক্তভোগিদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, রাস্তার ধারে দোকান, মার্কেট, গ্যারেজ সহ বিভিন্ন ধরনের স্থাপনা গড়ে উঠেছে। এসব এলাকায় গাড়ি চলাচলের সময় ধীর গতিতে চলতে হয়। রাস্তার দৈর্ঘ্যও খুব বেশি নয়। কোথাও একটি গাড়ি দুর্ঘটনা কবলিত হলে পুরো রাস্তা অচল হয়ে যায় অনেক সময় এই ছোট যাত্রী-ছাউনীগুলোতে যাত্রী বসার কোন স্থান নেই। ফলে যাত্রীরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে গাড়ীতে ওঠা নামা করে। এতে অনেক সময় যানজট, জনদুর্ভোগ ও দুর্ঘটনা ঘটে। এসব নিয়ে ভুক্তভোগী যাত্রীদের অভিযোগের অন্ত নেই। তারা আরও জানান মহাসড়কে এলোপাথারী করে গাড়ী রেখে মালামাল তোলার কারণে যানজট লেগেই থাকছে। রাস্তার উপর ভ্যান, মাহিন্দ্র, গ্রামবাংলা, অটোরিকশা, বাস, ট্রাক পার্কিং করা থাকে। এতে দ্রæতগামী গাড়িগুলো আটকা পড়ে ভয়াবহ যানজট সৃষ্টি হয় এবং প্রানহানী ঘটে।

কামারখালী মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে সরেজমিন অবস্থান করে এ চিত্র দেখা যায়। তাছাড়া , মধুখালী উপজেলার কামারখালী প্রধান মহাসড়কের দুই পাশে প্রায় শতাধিক অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে। এই সব দোকান-পাট মহাসড়ক দখল করে, দিন রাত বেচাকেনা করে যাচ্ছে দোকানদাররা। স্থানীয় সূত্র আরো জানায়, কামারখালী মহাসড়কে দুই পাশে অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে সরকারী তদারকী প্রয়োজন। স্থানীয়রা আরও জানান, মাঝে মাঝে দেখা যায়, মন্ত্রীর নির্দেশে সওজ এর কর্মকর্তা ও প্রশাসনের লোকজন এসব অবৈধ স্থাপনা ভেঙ্গে ফেলে। আবার অনেকদিন পরে রাস্তার পাশে দোকানপাট গড়ে ওঠে। অবৈধ স্থাপনা গড়ে ওঠার কারণে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক কামারখালীতে প্রতিদিন তীব্র্র যানজটের সৃষ্টি হয়। যে কারনে যাত্রী ও পথচারীরা প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। স্থানীয় সূত্র আরো জানায়, এসব এলাকায় মহাসড়কের উভয় পাশে অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে টং দোকান, চা স্টল, খাবার হোটেল সহ অন্যান্য পণ্য সামগ্রীর দোকান। ভুক্তভোগিরা মনে করছেন, মন্ত্রীর নির্দেশে প্রশাসনের মাধ্যমে এবার মহাসড়ক অবৈধ দখলদারমুক্ত হবে। তাতে যানজটের ভোগান্তি অরেকটাই কমবে।