প্রভাবশালী গোষ্ঠীর দাপট পৈতৃক সূত্রে পাওয়া জমি ক্রয় করে ঘর তুলতে বাধার অভিযোগ

মধুখালী প্রতিনিধিঃ
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার আড়পাড়া ইউনিয়নের মধ্য আড়পাড়া এলাকায় প্রভাবশালী একটি গোষ্ঠীর দাপটে পৈতৃক সূত্রে পাওয়া ক্রয়ক্রত জমিতে ঘর তুলতে পারছে না একটি নিরীহ পরিবার। ভুক্তভোগী লিটন শেখ জানান, আমরা দিন আনি দিন খাই। মাথা গোঁজার ঠাঁই নাই। ছোট কুড়ে ঘরে আছি। নিজের জমি থাকতেও আমি বড় ঘর তোলতে পারছি না। আমি আমার পরিবার নিয়ে খুব কষ্টে আছি। কারন ১৪৪ ধারা অভিযোগকারী ফজলুল হক মিয়া একজন অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা ছিলেন এবং ফরিদপুর বিজ্ঞ আদালতে একজন চলমান সিনিয়র আইনজীবি তার ভাই নাম মোঃ সাখাওয়াত হোসেন মিয়া উকালতি করেন। যার কারনে আমার ও আমার গরীব পরিবারকে নানাভাবে হুমকি দিচ্ছে এবং বিভিন্ন প্রকার অভিযোগ করে জমিতে যেতে দেয় না ও আমার বসবাসের ঘর করতে দেয় না আদালতের মাধ্যমে ১৪৪ধারা মামলা করে । তিনি তার ভাইয়ের দিয়ে আমার তিন দাদার থেকে পৈত্তিক সূত্রে ২১শতাংশ থেকে ৭ সাত শতাংশ আমার ৪ চার ভাই ও দুই বোন দাবীদার । এর মধ্যে দুই চাচা সাঈদ ও আসাদ থেকে আমার নামে দলিল মূলে কেনা ৩.১১শতাংশের মধ্যে আমার পরিবারের জন্য বড় করে ঘর করতে যায় তখন তিনি তার আইনজীবি ভাই মোঃ সাখাওয়াৎ হোসেন মিয়া’র দিয়ে মোট দাগের উপর দক্ষিনের সীমানায় নিজের ৮শতাংশ জমি তার দাবী করে ক্ষমতার বলে কোটে ১৪৪ধারা জারি করে আমার জমিতে ঘর তুলা বন্ধ করে দিয়েছেন। যাহার বিবরন ১৪৪ ধারা তাং-২৩-০৫-২০২৪ ইং তারিখের কোর্ট মোতাবেক থানা কর্তৃক এ. এস.আই. জারি করেন ২৬-০৫-২০২৪ইং ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার ৭নং আড়পাড়া মৌজার বিএস খতিয়ান ২৫০৩ দাগ নং ৭০১৩ শ্রেনী বাড়ী জমির পরিমান ২১শতাংশের মধ্যে এক দাদার ছেলে মেয়েদের ৭শতাংশ। কিন্তু তার দাবী ৮শতাংশ। তাই অন্য সকল শরীকের দাবী কি মূলে ৮শতাংশ দাবী করে তাহলে আদৌও কি জমি তার না এটা কি গরীবের হয়রানী না চক্রান্ত।
আবার দাগে ও বি.এস এ ভ‚ল করে আমার জমিতে ১৪৪ধারা জারি করেছে। কিন্তু এ জমিটা আদৌও তার না আমার দাদার সম্পত্তি চাচা থেকে দলিল মূলে আমার খরিদ করা। তিনি আরও বলেন তার এবং আমার বাবার জমি নিয়ে তাদের বাড়ীর জমি মাপামাপি হলে তাদের সীমানায় আমাদের পাওনা জমি চলে যায় এবং মাপে তাদের সীমানায় জমি পেতে গেলে না দেওয়ার কারনে আমার পিতার জমিতে ও আমার কেনা জমিতে বাড়ীর কাজে বাধা দিয়ে আমার মত গরীব অসহায় দিন মুজুরের নামে ও আমার আব্বা সিরাজ শেখ এর নামে কোর্টে ১৪৪ধারা করে। এ ব্যাপারে মামলার অভিযোগকারী ফজলুল হক মিয়া ‘র নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন তাদের এবং আমার বাড়ীর জমির সীমানা মাপার সময় আমাকে অকথ্য ভায়ায় বিবাদী লিটন শেখ গালিগালাজ করায় আমি বিজ্ঞ আদালতে ঐ জমির উপর ১৪৪ধারা জারি করিয়েছি। ইউ.পি চেয়ারম্যান বদরুজ্জামান বাবু জানান, আমরা এখনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। তবে মৌখিকভাবে শুনেছি। লিখিত আবেদন পেলে আমরা সালিশের উদ্যোগ নিতে পারি। মধুখালী থানার ওসি মিরাজ হোসেন জানান, জায়গা-জমির বিষয়গুলো আদালত বোঝেন। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী জমিতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে । যাতে আইন শৃংখলা অবনতি না হয়। পরিশেষে ভ‚ক্তভোগী পরিবারের বিজ্ঞ আদালতের কাছে করজোর বিনতি তাদের সু-বিবেচনা করিয়া তার ও তার আব্বার মামলা থেকে নিস্পত্তি সহ তাদের জমি থেকে ১৪৪ধারা বাতিল করে ঘরবাড়ী তুলে তাদের পরিবার বর্গ নিয়ে যাতে সুখে শান্তিতে বসবাস করতে পারে তাহার জন্য আপনার সদয় মর্জি হয়।