৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ১৮ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি রোজঃ বৃহস্পতিবার
কামারখালী

স্বামী ও স্বামীর বসতভিটা ফিরে পাওয়ার দাবীতে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

মধুখালী প্রতিনিধিঃ
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কামারখালী ইউনিয়নে বসবাসকারী গন্ধখালী গ্রামের মুন্নি বেগম(২২) তার স্বামী ও স্বামীর বসতভিটা ফিরে পাওয়ার দাবীতে রবিবার গন্ধখালী গ্রামে তার স্থাপনা বাড়ীতে ও নানা বাড়ীতে এক সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন। সম্মেলনে তিনি সাংবাদিকদের নিকট বলেন আমার আব্বা ও মা একজন গরীব অসহায় মানুষ। আমার কথা চিন্তা করে আমার আব্বা ও মা আমাকে ইসলামী শরিয়াহ্ মোতাবেক মোঃ অনিক হাসান, পিতাঃ মোঃ আঃ রহমান আজাদ, আড়পাড়া কালিগঞ্জ , ঝিনাইদহ ঠিকানাতে আমার পিতা বাড়ী কালি নগর , শ্রীপুর মাগুরা এই ঠিকানাতে গত-১০-০৪-২০১৯ইং তারিখে বিবাহ হয়।

আমার কোন সন্তানাদি নাই। তাই আমার নানা মোঃ আঃ রহমান আমার সুখের কথা চিন্তা করে আমাদের বাড়ী করে থাকার জন্য তার নিজ নামের মধুখালী উপজেলার কামারখালী ইউনিয়নের গন্ধখালী গ্রামের মছলন্দপুর মৌজার ৫৭৯ নং খতিয়ানের ৩০৮৭/৩১০৩ দাগের ৪৩ শতাংশ জমির মধ্যে তিন শতাংশ জমি আমার স্বামীর নিকট বিক্রী করেন। সেই জমিতে টিনসেট ওয়ালের বাড়ী করে আমরা ভালভাবে বসবাস করে আসছিলাম। বাড়ী করে ৪/৫মাস থাকার পর আমার স্বামী আমাকে আমার খালাবাড়ী বেড়াতে পাঠায়। সেখানে দুই দিন থাকার পর আমি বাড়ী আসার পর আমার ঘরে অন্য তালা দিয়ে ঘর তালাবদ্ধ। এরপর সবার নিকট জানতে চাইলে আমার মামা বকুল মোল্যা, পিতাঃ মোঃ সিদ্দিক মোল্যা, গ্রামঃ গন্ধখালী পোঃ কামারখালী , থানাঃ মধুখালী , জেলাঃ ফরিদপুর বলেন তোর স্বামী অনিক হাসান জমি ও ঘরবাড়ী আমার নিকট বিক্রী করে দিয়ে গেছে এইকথা বলে আমাকে বাড়ী থেকে তাড়িয়ে দেয়। তিনি আরও বলেন আজ প্রায় ১৮দিন আমার স্বামীর খবর নাই এবং আমাকেও আমার স্বামী কোন খবর নিচ্ছে না। তবে অপরিচিত নাস্বার দিয়ে আমাকে হুমকি দিচ্ছে বিভিন্ন পরিচয় দিয়ে।

এ ব্যপারে ভুক্তভোগী মুন্নির মা রেনু বেগম ও আব্বা আসাদ সর্দার এবং নানা আঃ রহমান বলেন আমরা নিরুপায় হয়ে এমন ছেলের সাথে বিবাহ দিয়েছিলাম । বুঝতে পারি নাই এমন ঘটনা ঘটিয়ে মুন্নিকে ফেলে চলে যাবে। মুন্নির নানা বলেন অনিক হাসান আমার জমি আবার আমার নামে লেখে দেওয়ার কথা বলে আমার নিকট থেকে একলক্ষ টাকা নিয়ে আমাকে জমি ফেরত না দিয়ে অন্যত্র দানপত্র বিক্রি করে দিয়ে নাতীন ফেলে ফাঁকি দিয়ে চলে গেল। তাই মুন্নি বলেন আমি নিরুপায় হয়ে আমার জীবনের নিরাপত্তা ও স্বামী এবং স্বামীর বসতভিটা ফিরে পাওয়ার দাবীতে মধুখালী থানায় ও কামারখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কার্যালয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেছি তাছাড়া ফরিদপুর কোর্টে মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। তাই আমি যাতে ন্যায় বিচার লক্ষে আমার স্বামী ও স্বামীর বসতভিটা ফিরে পেয়ে সুখে শান্তিতে বসবাস করতে পারি। এটাই আমার জীবনে প্রশাসন ও আপনাদের কলম লিখনীর কাছে দাবী।