৩০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ১৩ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি রোজঃ বৃহস্পতিবার
মধুখালী

গ্রাম নয় যেন মাঠ মধুখালীতে ৪০ বছরেও পাকা হয়নি রাস্তা

কামারখালী প্রতিনিধিঃ
ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার মেগচামী ইউনিয়নের ফণীভূষনের মিত্র বাড়ি হয়ে নিরঞ্জন বৈরাগীর বাড়ি পর্যন্ত বনগ্রামে প্রায় দুই কিলোমিটার কাঁচা রাস্তায় প্রায় ৬শত মানুষের দুর্ভোগ চরমে হয়ে উঠেছে। এই রাস্তা পাকা না হওয়ায় গ্রীষ্মকালে ধুলা আর বর্ষায় কাদায় লুটোপুটি খেয়ে বছরের পর বছর ধরে বিদ্যালয়ে যেতে হয় শিক্ষার্থীদের। শুধু শিক্ষার্থীরাই নয় এলাকার জনসাধারণকেও এই রাস্তাা দিয়ে চলাচল করতে খুবই অসুবিধা পড়তে হয়। সরেজমিনে দেখা যায়, একটু বৃষ্টি হলেই ওই রাস্তায় কাদা হয়ে যায়। ফলে এ রাস্তা দিয়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। জানা গেছে, মধুখালী উপজেলার এই গ্রাম মটিতে প্রায় ৬ শত মানুষের বসবাস।

গ্রামে রয়েছে ১টি বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সহ ৪টি মন্দির আছে। বর্তমানে গ্রামের মানুষের চলাচলের জন্য একটি মাত্র রাস্তা থাকলেও তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই কাঁদা মাটিতে একাকার হয়ে যাতায়াত অযোগ্য হয়ে পরে। কাঁচা রাস্তায় কোনো যানবাহন প্রবেশ না করায় পায়ে হেটে শহরে যেতে হয় স্থানীয়দের। কিন্তু বর্ষা মৌসুমে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় এলাকাবাসীর। ঐ গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা সুপেন , মনমথ, জয়ন্ত বিশ্বাস বলেন, বৃষ্টি হলে কাঁচা রাস্তায় কাঁদাপানি জমে থাকে। সামনের মন্দিরে যেতেও কাঁদা পানি পেরিয়ে যেতে হয়। প্রায় ২ কিলোমিটার এ কাঁদা রাস্তা হেটে মাঠে ইটের রাস্তায় উঠতে হয়। বর্ষা মৌসুমে হেঁটে চলাচল কঠিন হয়ে পড়ে। তাছাড়া কৃষিগ্রাম্য হিসেবে কৃষি কাজে চরম সমস্যা হয়। যা দুঃখের সীমা থাকে না । আবার কারো কাছে বলে কোন সমাধান হয় না । শুধু আশা আর আশা।

কিন্তু আজও রাস্তা হলো না। সবাই শুধু আশ্বাস আর আশ্বাস দেয়। কাজ হয় না। মেগচামী ইউনিয়ন পরিষদ এর সাবেক চেয়ারম্যান হাসান আলী খাঁন বলেন, মেগচামী ইউনিয়নের এই রাস্তা দীর্ঘ বছর ধরে কাঁচাই রয়ে গেছে। এ গ্রামের বাসিন্দারা পাঁকা সড়কের অভাবে দুর্ভোগে আছেন। জনগণকে দুর্ভোগের হাত থেকে বাঁচাতে ওই রাস্তাটি পাকাকরণের জন্য আশা করছি এবার বিজয় হয়ে শিগগিরই কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সমাধান করা হবে। পাশাপাশি বিষয়টি উপজেলা চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম,, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশিকুর রহমান চৌধুরী সহ উপজেলা প্রকৌশলীর সদয় সু-দৃষ্ঠি দেওয়ার জন্য অত্র বনগ্রাম গ্রামে অসহায় গ্রামবাসী দাবী করেন।