১লা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ১৪ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি রোজঃ শুক্রবার
কামারখালী

কামারখালী চরাঞ্চলের মানুষের একটাই দাবী কাঁচা রাস্তায় জীবন বাচাঁতে ইট চাই

মধুখালী প্রতিনিধিঃ
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কামারখালী ইউনিয়নের জারজরনগর গ্রামে বৃষ্টির পানিতে প্রায় ৩ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তার বেহাল দশায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে এলাকাবাসী। এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ এলাকার শত শত লোকজনকে মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়। সামান্য বৃষ্টিতে রাস্তাটি হয়ে উঠে কাদাপূর্ণ ধুলাবালির । দ্রæত রাস্তাটি ইটকরনের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। শনিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ১নং কামারখালী ইউপির ১,২,৩ নং ওয়ার্ডের গয়েশপুর, বকসিপুর, আড়পাড়া, জারজরনগর,কসুন্দি গ্রামের চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি কামারখালী বাজার সড়কে মিলিত হয়েছে। একটু বৃষ্টিতে কর্দমাক্ত ও পিচ্ছিল কাঁচা রাস্তাটিতে বড় বড় গর্ত থাকায় খালি পায়ে পথ চলতে হচ্ছে পথচারীদের। এছাড়া জরুরী কাজে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, ভ্যানগাড়ী প্রায়ই খানাখন্দে আটকা পড়তে দেখা যায়। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ইউনিয়ন ও উপজেলা ও জেলা সদরসহ এলাকার বিভিন্ন হাট-বাজারে যোগাযোগ ক্ষেত্রে কোমলমতি ছাত্রছাত্রীসহ এলাকাবাসীর একমাত্র ভরসা হচ্ছে ওই কাঁচা রাস্তাটি।

কিন্তু মাত্র ৪ কিলোমিটার কাঁচা সড়ক ইটের না করায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন গ্রামবাসী। গয়েশপুর গ্রামের রাকিবুল বিশ্বাস, জারজরনগর গ্রামের নিহাল সর্দার সহ গ্রামবাসীরা বলেন, এই চরাঞলে প্রায় ৫০০ শতাধিক পরিবারের বসবাস। কিন্তু এখান থেকে বাহিরে বের হওয়ার একটি মাত্র রাস্তা তাও ইটের না থাকার কারণে অল্প বৃষ্টিতে মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয় । রাস্তাটি ইটের হলে আমাদের যাতায়াতের দুর্ভোগ লাঘব হবে। স্থানীয় এক ভ্যান চালক জানান, সামান্য বৃষ্টিতে রাস্তাটিতে কাদা হয়ে যায় তখন আমরা ভ্যান নিয়ে বেরহতে পারিনা। প্রায় ৪ কিলোমিটরি পথ হেটে পাকা রাস্তায় যেতে হয় স্থানীয় প্রশাসন সহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর এখন একটাই দাবি, জারজারনগর মন্দির থেকে গয়েশপুর-বকসিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত প্রায় ৪কিলোমিটার রাস্তাটি দ্রæত ডবল ইট দিয়ে মেরামত করা হোক।