১৩ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৩০শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ২৬শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি রোজঃ বুধবার
শিক্ষা

কামারখালী সরকারী আব্দুর রউফ কলেজের একাদশ শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারির বিরোধ মীমাংসা

মধুখালী প্রতিনিধিঃ
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কামারখালী সরকারী আব্দুর রউফ কলেজের একাদশ শ্রেনীর শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে একাদশ শ্রেনীর ২জন শিক্ষার্থীরা আহত হয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার দুপুর দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- জাহিদ ও রাজিব। এ ছাড়া মারামারি ঠেকাতে গিয়ে মাশরাফি, রমজান আহত হয়। কলেজের একই শ্রেনীর ৮জন শিক্ষার্থীরা মারধর করেছে বলে অভিযোগ করেন। আহত অভিযোগকারীদের বাড়ী কামারখালী ইউনিয়নে মছলন্দপুর বিশ্বাস পাড়া গ্রামে। আহত একাদশ শ্রেনীর শিক্ষার্থীরা বলেন কলেজের মধ্যে নেশার জন্য চাঁদা চাওয়া নিয়ে নিজেদের বৃহস্পতিবার কলেজ থেকে ফেরার পথে মছলন্দপুর বিশ্বাস পাড়ার মোড় পূর্ব শত্রু জেরে ছাত্র ও বহিরাগত দের মধ্যে মারামারি হয়। স্থানীয় এক পর্যায় জানা যায় মারামারিতে চাইনিজ কোরাল ও রাম দা ঝনঝনানি লেগে যায় ।

স্থানীয়রা মারামরির পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে দেয়। মারামারিতে বিবাদীদের ৮জন শিক্ষার্থীর বাড়ী আড়পাড়া ইউনিয়নে আড়পাড়া গ্রামে। এর পর আহতরা কলেজ অধ্যক্ষ বরাবর অভিযোগ দিলে কলেজ কর্তৃপক্ষ বাদী , বিবাদী অভিভাবক এবং স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের কলেজে উপস্থিতিতে বুধবার কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর অধ্যক্ষ দিদার হোসেন এর সভাপতিত্বে ও প্রভাষক মির্জা গোলাম ফারুক এর সঞ্চালনায় সবাইকে নিয়ে শিক্ষক মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সভাপতি অধ্যক্ষ প্রফেসর দিদার হোসেন , প্রভাষক মির্জা গোলাম ফারুক , প্রভাষক হাফিজুর রহমান,

প্রভাষক মাসুদুর রহমান, প্রভাষক সেলিনা বেগম, কামারখালী বাজার বনিক সমিতির সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা কাজী মতিউল ইসলাম মুরাদ, আড়পাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বদরুজ্জামান বাবু, সাবেক চেয়ারম্যান সহকারী অধ্যাপক জাকির হোসেন মোল্যা, কামারখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান জাহিদুর রহমান বিশ্বাস বাবু, আড়পাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আঃ রউফ মৃধা, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক আরমান হোসেন বাবু, কলেজর সাবেক ভিপি ও সাবেক সোনালী ব্যাংক কর্মকর্তা শহীদুর রহমান, মধুখালী উপজেলা আওয়ামীলীগের অন্যতম সদস্য ও সাবেক সোনালী ব্যাংক কর্মকর্তা ফজলুল হক মিয়া , তরুন সমাজসেবক সুমন মোল্যা প্রমুখ। সবশেষে বাদী, বিবাদী মধ্যে মিলমিশ , বিবাদীদের কলেজের প্রফেসর অধ্যক্ষ এবং প্রভাষকদের নিকট ক্ষমা চাওয়া এবং বিবাদীর অভিভাবক ও বিবাদীদের অঙ্গিকার নামা দিয়ে শেষ বারের মত আর কোনদিন মারামারি সহ কোন প্রকার অপকর্ম করবো না কলেজ জীবনে ও কলেজ চত্বরে এই ওয়াদা করে সবার সামনে সহি স্বাক্ষর করে মারামারি সহ সকল প্রকার বিরোধ মীমাংসা করা হয় । উক্ত বিরোধ মীমাংসায় অবস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের প্রভাষক কাজী আমিনুল ইসলাম সহ আরো প্রভাষকমন্ডলী, সমাজসেবক আজিজুর রহমান সহ আরো গন্যমান্য প্রমুখ।