৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ২৩শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ২০শে জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি রোজঃ শনিবার
কামারখালী

কামারখালীতে জমি বিক্রি করে চরম ভোগান্তি,

মধুখালী প্রতিনিধিঃ
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কামারখালী ইউনিয়নের মছলন্দপুর গ্রামের মৃতঃ আঃ আজিজ শেখ এর ছেলে আছমত আলী শেখ এর কাছ থেকে একই উপজেলার একই গ্রামের আঃ জলিল মিয়া এর ছেলে মোঃ টুলু মিয়া ও লুলু মিয়া গত ৮ই মে ১৯৮৫ইং সনে ৩৭২১নং দাগে ১১শতাংশের মধ্যে ৮শতাংশ এবং ৩১২১নং দাগে ৬ শতাংশের মধ্যে ২শতাংশ মোট দুই দাগে ১০শতাংশ জমি ক্রয় করে। বর্তমান ৮শতাংশ টুলু মিয়ার বাড়ীর জমি আর ২শতাংশ জমি মছলন্দপুর মাঠে। টুলু মিয়ার মাধ্যমে জানা যায় তিনি গরীব মানুষ সাংসারিক অভাব-অনাটনের জন্য মাঠের ২শতাংশ জমি একই উপজেলার একই ইউনিয়নের মছলন্দপুর হিন্দু পাড়া মৃতঃ আঃ ছাত্তার বিশ্বাসের ছেলে আঃ লতিফ বিশ্বাসের নিকট বিক্রি করেন। কিন্তু তার ২৫-০৩-১৯৯২সনে দলিলে দেখা যায় ৩১২১নং দাগে ১ শতাংশ আর ৩৭৩১ ও ৩৭৩৫নং দুই দাগ মিলে ১শতাংশ মোট ২শতাংশ লতিফ বিশ্বাসের নামে রেজিষ্টারী করা দেখা যায়।

এ ব্যপারে আঃ লতিফ বিশ্বাসের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার মোঃ সিদ্দিক আলী মোল্যা এর সাথে খুব ভালো সম্পর্ক তিনি আমাকে জমি কিনে দেছে টুলু মিয়ার মাঠের জমি। আমি আবার সেইভাবে তার ছেলে এ.বি.এম.মিরোজ বুলু’র নিকট সেই ভাবেই ১৫-১১-২০১২ইং সনে বিক্রি করে দিয়েছি। আমি কারোর বাড়ীর জমি কিনি নাই । এ ব্যপারে টুলু মিয়া বলেন আমি লেখাপড়া জানিনা। আমার বাড়ীর জমি বাদে মাঠের ২শতাংশ জমি মোঃ সিদ্দিক শেখ এর মাধ্যমে আঃ লতিফ বিশ্বাস এর নিকট বিক্রি করেছি। আমি কোন বাড়ীর জমি বিক্রি করি নাই। তবে পরে আবার অভাবের তাড়নায় ক্রয়কৃত বাড়ীর আলাদা জমি ১শতাংশ বিক্রি করি মোঃ দবির মোল্যার নিকট। যার দাগ নং ৪৬১৩ , খতিয়ান নং-১৪৬৪।

সেই জমি ভোগ দবির মোল্যা দখলে গেলে এ.বি.এম. মিরোজ বুলু বাধা দেন । এ বিষয়ে জমির ক্রয়কৃত দলিল দেখানোর কথা বললে তিনি আবোল তাবোল কথাবাত্রা বলেন । আর তার নামে মিউটিশন দেখান। আর বলেন এটা আমার ক্রয়কৃত সম্পত্তি। যাহা ৪৬১৩নং দাগের ১শতাংশ জমি আদৌ টুলু মিয়া দবির ব্যতীত কারও নিকট বিক্রি করে নাই বলে জানান। পক্ষান্তরে জানা যায় দবির, বুলুর মিউটেশনের বাতিলের বিরুদ্ধে মিস কেস করেছেন । এ ছাড়া এ ব্যপারে সুষ্ঠু সমাধানের জন্য বুলু’র নামে টুলু মিয়া মধুখালী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। যাহা বিচারে চলমান আছে।