বৃস্টি হলেই মধুখালী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডারের বাড়ীতে ঢোকার পথে জলাবদ্ধতা

কামারখালী প্রতিনিধিঃ
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ খুরশিদ আলম ভূইয়া’র নিজ বাড়ী মধুখালী উপজেলার ডুমাইন ইউনিয়নের ডুমাইন গ্রামের সাত ভাই পাড়া। ঈদুল আযহার কুশল বিনিময় জানতে গিয়ে দেখা যায় বাড়ী যাওয়ার ভাল কোন পথ নাই। যা আছে তাও আবার বাড়ীর চারপাশে জলাবদ্ধতা। বাড়ীর চারপাশ ঘুরে ঘুরে দেখা যায় তেমন কোন পথ নাই যা আছে বাড়ীর চেয়ে রাস্তা নিচে যার ফলে বৃস্টির দিনে বৃস্টি হলে বাড়ীর রাস্তার দুইপাশে ইটের রাস্তায় পানি বেধে জলাবদ্ধতা হয়ে যায়। আবার পানি দুর করার তেমন কোন ব্যবস্থা নাই। পানি ভেঙ্গে বাড়ীতে প্রবেশ করতে হয়। আবার আরেকটি সমস্যা হলো ইটের রাস্তায় পানি জমা হয়ে কাদা ও পানি মিশে রাস্তা পিচলা হয়ে যায় তখন পায়ে হেটে চলা এবং মোটর সাইকেল চড়ে যাওয়া বিপদজনক যে কোন মূহুর্তে বিপদ ডেকে আসতে পারে। এ ব্যপারে বাড়ীর মালিক মধুখালী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ খুরশিদ আলম ভূইয়া বলেন আমি অনেক বার বিগত উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট বলেছি তার কোন সমাধান পায়নি।
তবে তার আশা তিনি বেচে থাকা অবস্থায় তার বাড়ীর সামনে এবং পিছনের রাস্তা কার্পেটিং হলে এই স্বাধীন বাংলাদেশে তার আত্মার শান্তি পেত এটাই তার এখন একমাত্র আশা। তাই তার মধুখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও মধুখালী উপজেলা চেয়ারম্যান এর নিকট জোর দাবী কবে তার বাড়ীর দুই পাশের রাস্তাটি উচু করে পাকা হবে। পাশাপাশি ডুমাইন ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধাগনের আবেদন বর্তমান উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মোস্তাফা মনোয়ার ও মধুখালী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শহিদুল ইসলাম সরেজমিনে এসে সাবেক মধুখালী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ খুরশিদ আলম ভূইয়া’র নিজ বাড়ীর চারপাশ দেখে শুনে পানির জলবদ্ধতা নিরসনের একটি স্থায়ী সমাধান ও উচু করে পাকা রাস্তা করে দেওয়ার জোর দাবী জানান যাতে তিনি মরে যেয়েও তার আত্মা শান্তি পায়।