৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ২৩শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ২০শে জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি রোজঃ শনিবার
মধুখালী

আনন্দ শোভাযাত্রা ও আলোচনার সভা মধ্য দিয়ে মধুখালী উপজেলার জিনিষনগর শ্রী শ্রী কালিমাতা মন্দিরে জন্মাষ্টমী পালিত

মধুখালী প্রতিনিধি ঃ
সারা দেশের ন্যায় জন্মাষ্টমী উৎসব উপলক্ষে বুধবার সকালে আনন্দ শোভাযাত্রা ও র‌্যালী এবং বিকালে ডুমাইন ইউনিয়নের জিনিষনগর শ্রী শ্রী কালিমাতা মন্দিরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। নিশ্চিন্তপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বর্গীয় কালিপদ ভাদুড়ীর হাতে গড়া পঞ্চপল্লী সেবা সংঘের আয়োজনে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ৫২৪৯তম শুভ আবির্ভাব উপলক্ষে সকাল থেকে মধুখালী উপজেলার ডুমাইন ,মেগচ্মাী ইউনিয়নের এবং বালিয়াকান্দি উপজেলার জঙ্গল ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে শত শত ভক্তরা জিনিষনগর কালিমাতা মন্দিরে সমবেত হয়। পরে সেখান থেকে এক বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়ে পঞ্চপল্লীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

শেষে আলোচনা সভা শেষে বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত বিভিন্ন মতুয়া দলের সমন্বয়ে জিনিষনগর শ্রী শ্রী কালিমাতা মন্দিরে আনন্দ শোভাযাত্রা আনুষ্ঠিত হয়। ধারা ভাষ্যবিবরনীতে ছিলেন নির্মল কান্তি বিশ্বাস। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধান অতিথি হিসেবে ডুমাইন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহ্ আসাদুজ্জামান তপন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জঙ্গল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি কল্লোল কুমার বসু, কামারখালী বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বিনয় কুমার সাহা। এ ছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন ডুমাইন রামলাল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রভাষ চন্দ্র মন্ডল, সমাধিনগর আর্য সংঘ বিদ্যা মন্দির মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নারোদ কুমার বাছাড়,

জিনিষ নগর কাজী সিরাজুল ইসলাম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অথিন্দ্রনাথ রায়, ইউ,পি, সদস্য অজিত বিশ্বাস, শুশান্ত কুমার মন্ডল, বাবুল বিশ্বাস, অমৃত রায় সহ আরো অনেক গন্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গ প্রমুখ,। পরিশেষে পঞ্চপল্লী সেবা সংঘের কমিটিতে নিয়োজিত স্বর্গীয় প্রতিষ্টাতা কালীপদ ভাদুড়ীর স্ত্রী গীতারানী ভাদুড়ী, বিধান রায়, প্রভাষ কুমার মন্ডল, সুকুমার বিশ্বাস, অথিন্দ্রনাথ রায় , চিত্তরঞ্জন বিশ্বাস, প্রহলাদ কুমার রায়, উত্তম বিশ্বাস, সাধন কুমার মন্ডল, সুভাষ অধিকারী, লিপন কুমার, পলাশ কুমার বিশ্বাস, অজিত কুমার বিশ্বাস,চাদ অধিকারী এদের সার্বিক সহযোগীতায় সুষ্ট ও সুন্দর পরিবেশের মাধ্যমে শোভযাত্রা, শ্রীকৃষ্ণের পূজা অর্চনা, মতুয়াদের মাতম, ধর্মীয় আলোচনা শেষে প্রসাদ বিতরন করে জন্মাস্টমী উৎসব পালন শেষ করেন।