আড়পাড়া ইউনিয়নের মধ্য আড়পাড়া গ্রামের মানুষের চলাচলের রাস্তার বেহাল দশা

মধুখালী প্রতিনিধিঃ
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার আড়পাড়া ইউনিয়নের মধ্য আড়পাড়া ৩নং ওয়ার্ডের মানুষের চলাচলের রাস্তা ও মসজিদে যাওয়ার নির্ভরযোগ্য যাতায়াতের বহু পুরাতন এক জনপথ যা জরাজীর্ন অবস্থায় ছিল ব্যক্তি-মালিকানা রেকর্ডীয় জমির রাস্তা । এই সেই পথ দিয়ে মধ্য আড়পাড়া বসবাসকারী, পথচারীদের চলাচল, হাট বাজার,স্কুল ও কলেজে যাতায়াতের সহজ একটি পথ এটি। এই পথ ধরে যাতায়াত করে মধ্য আড়পাড়া গ্রামের মানুষ সহ কয়েক অঞ্চলের মানুষ । তাছাড়া এই পথ দিয়ে সহজে জামে মসজিদে ঠুকা সহজ একটি পথ। আজ এই জনপথ চলাচলের অনুপযোগি হয়ে উঠেছে, দূর্ভোগের শেষ নেই, এই কয়েক অঞ্চলের মানুষের। কিছু দিন আগেও ছিল বন জঙ্গলে ভরা সহ, কাঁচা মাটির কাঁদা রাস্তা। সেই পথ দিয়ে মানুষের চলাচল এখন খুব কষ্ট দায়ক। তারই আলোকে রাস্তার রেকডীয় মালিক এর অংশীদার বাহারুল আলম মিয়া বাবুল তার ব্যক্তিগত অর্থ দিয়ে রাস্তাটি চলাচলের ব্যবস্থা করলে পাশে বসবাসকারী প্রভাবশালী এক ব্যক্তি রাস্তাটি তার ডেইরী ফার্মের গো-চুনা দিয়ে রাস্তাটি জরাজীর্ণ করে রেখেছে। এই প্রসঙ্গে ঐ প্রভাবশালী কাজী মামুন হোসেন এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন এই রাস্তা আমাদের শরীকের রাস্তা তারা রেকর্ড করে নিয়েছে। তাছাড়া যদি সবার ক্ষতি হয় তাহলে আমি আর গাভী পালন করবো না।

কিছুদিন পর গাভী বিক্রি করে ফেলবো। কারো সাথে ঝামেলা করবো না। এ বিষয়ে এলাকার মুরুব্বিদের ও ইউ.পি. সদস্য শেখ আবু বাহার এবি এর সাথে কথা বলে জানা যায়, এই রাস্তা বাহারুল আলম বাবুল এর রেকডীয় সম্পত্তি এবং তাদের বাড়ী থেকে বের হওয়ার ব্যক্তিগত রাস্তা তবে বর্তমান সবাই ব্যবহার করছে । ফলে একটু বৃষ্টি হলেই জমে যায় পানি, আমরা ঠিক মতো চলাচল করতে পারছিনা। তাই নামাজের সময় ময়লা যুক্ত কাঁদা পানি মাড়িয়ে যেতে হয় মসজিদে, এ এক মহা বিরক্তিকর অবস্থা। তাছাড়া স্কুল ও কলেজ ছাত্র ছাত্রীদের একই অভিযোগ আমাদের স্কুল ও কলেজ ইউনিফর্ম নষ্ট হয়, অন্য রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করলে সময় বেশি লাগে স্কুল ও কলেজে পৌছাতে, তাই এই পথ ধরেই আমরা যাতায়াত করে থাকি। সমাজপতি থেকে স্থানীয় প্রশাসন পর্যন্ত কেউ রাখেনা এ রাস্তার বেহাল দশার খোঁজ খবর। পক্ষান্তারে রাস্তার পশ্চিমের প্রতিবেশীরা তাদের সীমানার রাস্তায় টিন দিয়ে বেড়া দেওয়ার কারনে ময়লা বের হওয়ার কোন পথ নাই মনে হয় অভিভাবকহীন। যেন এই এলাকায় এসব দেখার কেউ নেই! তাই মহল্লা বাসির আবেদন যেনো- স্থানীয় ও উপজেলা এবং জেলা প্রশাসন এই রাস্তার বিষয় আমলে নিয়ে দ্রæত এর সমাধান করেন।