গন্ধখালী গ্রামে তীররক্ষা বাঁধের কাজ শুরু, স্বস্তিতে গড়াই নদীর পাড়ের বাসিন্দারা ও কাজের পরিধি বাড়াতে দাবী সচেতন নাগরিকের

মধুখালী প্রতিনিধিঃ
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কামারখালী ইউনিয়নের গন্ধখালী গ্রামের গড়াই নদীর তীর থেকে রুহল মোল্যার বাড়ী বাড়ি প্রায় ৫-৬ গজ দূরত্বে। প্রতিনিয়ত সর্বনাশী গড়াই তাকে চোখ রাঙাচ্ছে বসতভিটা কেড়ে নিতে। আস্তে আস্তে নদী ধেয়ে আসছে তাকে বাস্তুহারা করতে। তীররক্ষা বাঁধই পারে তার বসতভিটা রক্ষা করতে। তাই তিনি বাঁধের আশায় বুক বাঁধছেন। কারণ গড়াই নদীর তীররক্ষা বাঁধের কাজ শুরু হয়েছে। বাঁধের কাজ শুরু হওয়ায় গড়াই নদীর তীরবর্তী বাসিন্দা রুহোল মোল্যার মধ্যে স্বস্তি দেখা গেছে। সময় মতো বাঁধটি তৈরি হলে তার বসতভিটা রক্ষা পাবে। রুহোল মোল্যার বাড়ি কামারখালী ইউনিয়নের মধুখালী উপজেলার গন্ধখালী গ্রামে। একই এলাকার আইয়ুব মোল্যার বাড়ীর আগে এবং রুহোল মোল্যার বাড়ীর পরে এই একই বাধের কাজের সাথে আরও পরিধি বাড়াতে হবে বলে ধারনা করা হচ্ছে। কারন এই বাধের আগে ও পরে নদীর পানি বৃদ্বির ও টানের সময় আরও ধসে ও ভেঙ্গে যাবে বলে ধারনা করা হচ্ছে তাই এই মুহুর্তে বাড়ী রক্ষা ও ফসলি ও বাড়ী তৈরীর কাজের জমি ঠেকোতে হবে জরুরীভাবে এই কাজের সাথে আরও পরিধি বাড়াতে হবে বাধ দিয়ে ।
তাই সচেতন এলাকাবাসীরা কতৃপক্ষের নিকট জোরালে দাবী পরিধি বাড়ার জন্য। তারা আরও বলেন, আগে ভাঙন রোধে অস্থায়ীভাবে জিও ব্যাগ ফেলে বাঁধ রক্ষার চেষ্টা করেও সম্ভব হয়নি। সঠিক পরিকল্পনা এবং সুষ্ঠুভাবে কাজ না হওয়ায় ভাঙন রোধ করা যায়নি। তাদের দাবি, মজবুত এবং ঠেকসই বাঁধ নির্মাণ করা হলে আমাদের বসতবাড়ি, ফসলি জমি রক্ষা পাবে। তাই নদীর তীরবর্তী বাধের কাজ বল্লি, বাশ , বেরেল সিট, রড এবং জিও ব্যাগ দিয়ে কাজ ভালো হওয়ায় তারা স্বস্থি পেয়েছে। তারা আরও বলেন, সরকার আমাদের জন্য বাঁধ নির্মাণের জন্য অর্থ বরাদ্দ দিয়েছে। বরাদ্দের অর্থ যেন সঠিকভাবে কাজে লাগে। এ ক্ষেত্রে কোনো দুর্নীতি যেন না হয়। সরকারের পক্ষ থেকে নির্মাণ কাজ যেন তদারকি করা হয়। তাহলে টেকসই বাঁধ নির্মাণ হবে এবং আমাদের দীর্ঘদিনের স্বপ্নও পূরণ হবে তাহলে আমাদের মতো আর কাউকে বসতভিটা হারাতে হবে না। মঙ্গলবার খোঁজ নিয়ে ঠিকাদার শরিফুল ইসলামের মাধ্যমে জানা গেছে, কাজের মান ভালো হচ্ছে এবং অতি দ্রæত কাজ শেষ হবে বলে।