মধুখালীতে মানে না আইন , শোনে না কথানদীর চরের ক্ষেতে গরু ছেড়ে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

মধুখালী প্রতিনিধিঃ
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কামারখালী ইউনিয়নে একটি গ্রাম আছে , যে গ্রাম মানে না আইন , শোনে না কথা , নদীর চরে ফসলের জমিতে গরু ছেড়ে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করে সে গ্রামটি হলো কোমরপুর পূর্ব পাড়া। আর আবাদী ফসলের ক্ষতির ভ‚ক্তভোগী হলো গোমরা কৃষক পরিবার। জানা যায় উপজেলার বাগাট ইউনিয়নের মিটাইন ও গোমারা গ্রামের অনেক পরিবারের মধুমতি নদীর চর জেগে অনেক জমি জেগে উঠেছে। সেই জমিতে বাগাট ইউনিয়নের দুই গ্রামের কৃষকরা তাদের জমিতে বিভিন্ন ফসল আবাদ করলে কোমরপুর পূর্বপাড়া কিছু প্রভাবশালী পরিবার সকাল বেলা ঐ আবাদী জমিতে গরু ছেড়ে দেয় । সংবাদ পেয়ে সরেজমিনে শনিবার মধুমতি নদীর চরে গোমারা মাঠে গিয়ে দেখা যায় লোক নাই গরু গোমারা গ্রামের কিছু কৃষক পরিবারের আবাদী জমির বিভিন্ন প্রজাতির ক্ষেত খাচ্ছে। এ বিষয়ে গোমরা কৃষক পরিবারের কয়েকজন কৃষকের নিকট জিজ্ঞাসা করলে তার বলেন এই গরু কামারখালী ইউনিয়নের আমাদের পাশের গ্রাম কোমরপুর পূর্বপাড়া কিছু প্রভাবশালীর পরিরবারের গরু । প্রতিদিন এই ভাবে গরু ছেড়ে দিয়ে আমাদের বিভিন্ন প্রজাতির আবাদী ফসল খাওয়ায় । যা প্রতিবাদ করলে আমাদের বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি দেখায় এবং জীবন নাশের হুমকি দেয়।
বিষয়টি আমাদের বাগাট ইউনিয়নের পরিষদ এর চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান খাঁনকে জানালে তিনি সরেজমিন মাঠ পরিদর্শন আসেন এবং সত্যতা পায়। এ ব্যাপারে গোমরা বাসীর কিছু কৃষক পরিবারের সাথে কথা বললে তারা জানান আমাদের সমস্যার কথা আমাদের চেয়ারম্যানের অবগতি করেিেছ ও আবাদী জমির ভিতর গরু ছেড়ে দেওয়া কোমরপুর পূর্বপাড়া প্রভাবশালী পরিবারের কিছু লোকের নিকট বলেছি আর যেন আমাদের জমিতে গরু ছেড়ে ফসলের কোন ক্ষতি না করে । তারা আরও বলেন যদি এই নিষেধ না শোনে তাহলে আমরা জরুরী ভাবে থানায় তাদের নামে অভিযোগ করে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ সাহায্যে গ্রহন করবো। গোমারা গ্রাম গরীব ও ভীত গ্রাম কারন কোমরপুর গ্রাম পার হয়ে কামারখালী হাট-বাজারে যেতে যার জন্য ভীত । তাই প্রশাসনের হস্তক্ষেপ একান্ত প্রয়োজন বলে সচেতন নাগরিক দাবী করেন।