৩১শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ১৪ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি রোজঃ রবিবার
কামারখালী

গড়াই নদীর ভাঙ্গনে হুমকির মুখে নিশ্চিন্তপুর আশ্রয়ণ প্রকল্প

মধুখালী প্রতিনিধিঃ
গড়াই নদীর অবিরাম ভাঙ্গনে নতুন করে হুমকির মুখে পড়েছে নিশ্চিন্তপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পের প্রায় শত শত বসতবাড়ি। সাধারণত বর্ষা মৌসুমে ভাঙ্গনের তীব্রতা দেখা দিলেও এবার শীত মৌসুমে পানি শুকানোর তাগিদে গড়াই নদীর এলাকাজুড়ে তীব্র ভাঙ্গনের ভয়াল রূপ দেখা দিয়েছে । গড়াইয়ের পাড়ে বসবাসরত মানুষের দিন কাটছে প্রতিনিয়ত প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ করে । ক্ষতিগ্রস্থ এসব এলাকায় সরকারি কোন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি ভাঙ্গন রোধে। আশে পাশে রোধের কাজ করেছে তার পর্ওে নতুন করে রুপ নিচ্ছে ফলে ক্রমেই ভাঙ্গন পরিস্থিতি ভয়ংকর রূপ নিচ্ছে ফরিদপুর জেলার মধুখালী ডুমাইন ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পে ঘরবাড়ীর সামনের রাস্তা । সরেজমিন ঘুরে দেখা যায় চরম ঝুঁকিতে আছে এই ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাড়ি সহ নিশ্চিন্তপুর ও ডুমাইন গ্রামের মানুষদের বসতভিটা। দীর্ঘদিন যাবৎ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের সংস্কার না হওয়ায় ফাঁটল ধরে তা নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। এছাড়াও হুমকিতে পড়েছে এসব এলাকার অনেক ঘরবাড়ি ও বিভিন্ন ফসলি জমি ।

নিশ্চিন্তপুর গ্রামের বাসিন্দারা বলেন গড়াই নদীর তীব্র ভাঙ্গনে এলাকার অনেক বাড়িসহ ফসলি জমি যে কোন সময় নদীতে বিলীন হতে পারে কারন নদীর কুলের পথ বিলীন হওয়ার পথে। আমরা খুবই আতঙ্কের মধ্যে আছি। নদী ভাঙ্গন রূখতে না পারলে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরসহ ভিটে-মাটি এবং চাষাবাদের জমির বিস্তীর্ণ এলাকা সমূহ। ডুমাইন ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম মোল্যা বলেন, গড়াই নদীর ভাঙ্গনের ফলে নিশ্চিন্তপুর আশ্রায়ন প্রকল্পের ঘরবাড়ী ও বর্তমান অন্যান্য বসতিদের অনেক বসত ভিটা সহ ঝুকিতে রয়েছে। অতি দ্রæত সরকারের পদক্ষেপ নেওয়া দরকার বলে তারা মনে করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মামনুন আহম্মেদ অনীক বলেন, ক্ষতিগ্রস্থদের পক্ষ থেকে তেমন কোন অভিযোগ পাইনি। আমি এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করবো। এ ব্যাপারে বালিয়াকান্দি রাজবাড়ীর জেলার বালিককান্দি সহ বোয়ালমারী পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, এ বিষয়ে আমার কাছে কোন তথ্য নেই। তথ্য পেলে যত দ্রæত সম্ভব প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।