কাঁচা রাস্তায় চরম দূর্ভোগ

মধুখালী প্রতিনিধিঃ
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কোড়কদি ইউনিয়নের বাগবাড়ী ও কাটাখালী গ্রামের সামান্যে কাচা রাস্তাটি প্রায় সারা বছরই কর্দমাক্ত থাকে। প্রায় আধা কিলোমিটার এই রাস্তাটি বর্ষাকালে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে যায়। তা ছাড়া বছরের অন্য সময়েও সামান্য বৃষ্টি এলে একই অবস্থা তৈরি হয়। তখন যানবাহন দূরে থাকা হেঁটেও চলাচল করা যায় না। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রতিনিধিদের কাছে ধরনা দিলেও রাস্তাটি পাকা করার কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ইটের হয়েছে তারপরেও মানুষের দূভোর্গের শেষ নেই। কারন সামান্যে একটু রাস্তা বাদ রেখে দেছে যার দরুন বৃস্টিতে কাদা ও পানিতে পরিনত হয়ে আছে । যেটা মানুষের দূর্ভোগ ছাড়া কিছুই না শুধু ভোগান্তি আর ভোগান্তি। সোমবার ওই রাস্তায় গেলে দেখা যায়, টানা কয়েক দিনের বৃষ্টিতে রাস্তাটি কর্দমাক্ত হয়ে গেছে। তখন একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে রাস্তার কাঁদায় আটকে গেলে কয়েকজনকে ঠেলতে দেখা যায়। তা ছাড়া রাস্তার বিভিন্ন জায়গায় রয়েছে ছোট বড় গর্ত। বৃষ্টি এলে এসব গর্তে পানি জমে যায়। এই রাস্তার পাশের বাড়িগুলোর লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এই এলাকায় কয়েক হাজার মানুষের বসবাস। এই পথেই রয়েছেন একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মসজিদ এই পথেই কাটাখালী, কোড়কদি , বাগবাড়ী , বাগাট , মধুখালী সহ আশপাশের বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষ চলাচল করে। প্রতিনিয়ত মোটরসাইকেল,বাই সাইকেল, অটোরিকশা, ভ্যান গাড়ি সহ ছোট ছোট যানবাহন চলাচল করে।
কিন্তু সামান্যে এই রাস্তার এমন অবস্থার কারণে সবাইকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।আরেক স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, বর্ষা এলেই এই রাস্তায় চলাচলে ভোগান্তি বাড়ে। তা ছাড়া বছরের অন্য সময়েও যখনই বৃষ্টি আসে তখনই এই রাস্তার এমন অবস্থা হয় যে যান বাহন দূরে থাক হেঁটেও চলাচল করা যায় না। অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, নির্বাচন এলে জনপ্রতিনিধিরা শুধু আশ্বাসই দেন। নির্বাচন চলে গেলে আর কারও খবর পাওয়া যায় না। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ব্যক্তি বলেন, ‘এই পথে সবচেয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয় রোগীদের নিয়ে যাতায়াতের সময়। শুকনো মৌসুমেও রাস্তার গর্তে যানবাহনের যে ঝাঁকুনি হয় তাতে সুস্থ মানুষও অসুস্থ হয়ে যেতে পারে। রোগীর কথা নাই বা বললাম। আর বৃষ্টি এলে, রাস্তার এমন অবস্থার কারণে রোগীদের হাসপাতালে নেওয়ার মতো গাড়িও পাওয়া যায় না।’ তাই সামন্রে রাস্তাটি অতি দ্রæত ইটের করে দেওয়ার জন্য ইউনিয়ন বাসী স্থানীয় সরকার তথা উপজেলা প্রকৌশলীর নিকট জোরালো দাবী করেন।