মধুখালীতে ধানের চারার আমদানি প্রচুর, ক্রেতা কম

মধুখালী প্রতিনিধিঃ
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার বিভিন্ন হাটে রোপা আমনের চারা সংগ্রহ করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষীরা। উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় গত মৌসুমের তুলনায় চলতি বছর রোপা আমন রোপনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভবনার আশা করছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। উপজেলার সবচেয়ে বড় দুটি হাট মধুখালী সদর ও কামারখালী হাটে চারা থাকলেও কৃষকদের ভিড় নেই তেমন। শুক্রবার (০৯ আগস্ট) মধুখালী হাটে এক বোঝা চারা ক্রয় করছেন কৃষকরা ৩’শ ৫০ টাকা থেকে ৫’শ টাকায়। আর খাজনা আদায় করছেন প্রতি বোঝা ২০ টাকা করে। আর কামারখালীতে খাজনা আদায় করছে শতকরা ৫টাকা করে। মধুখালী ও কামারখালী হাটে চারা বিক্রেতা জামিরুল ও আলতাফ এবং আকমল শেখ বলেন হাটে চারার আমদানীও ব্যাপক। আমদানি থাকলেও ক্রেতা সে তুলনায় কম। এই মৌসুমে এ এলাকায় বৃষ্টি কম হওয়ায় পাট কাটতে দেরি হয়েছে। এখনো অনেক জমিতে পাট থাকায় চাষিরা ধীরে ধীরে চারা রোপন করেছে। বাজারের ইজারা সংগ্রহে থাকা আবুল হোসেন বলেন, এ মৌসুমে চারার আমদানি ব্যাপক। তবে সে তুলনায় ক্রেতা কম। এবার চারা নিয়ে যারা আসছেন তা অনেক ভাল মানের হয়েছে।
মধুখালী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহাবুব ইলাহী জানান, রোপা আমনের বিরি-৮৭,৩৭,৭৫, বিনা-৭, আঠাশ সহ কয়েক জাতের ধানের চারা সাধারণত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত আবাদ করা হয়ে থাকে। বৃষ্টি কম হওয়ায় এবার চারা অনেকে দেরিতে লাগাবে। সেপ্টেম্বর (ভাদ্র মাস) ধরে রোপা আমনের চারা রোপন করতে পারবে। চলতি বছর উপজেলায় একটি পৌরসভা ও এগারটি ইউনিয়নে রোপা আমনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৮হাজার ৭১০ হেক্টর জমিতে। যা গত বছর ছিল ৮ হাজার ৬৯০ হেক্টর। ক্রেতা উপস্থিতি কম বিষয়ে জানতে চায়লে তিনি জানান, অনেকে বীজতলা তৈরি করেছেন। যার ফলে চারা এ বছর বেশি ক্রেতা কম। শেষের দিকে আরও ক্রেতা বাড়বে বলে আশা করা যাচ্ছে।