৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ১৮ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি রোজঃ বৃহস্পতিবার
বাগাট

মিটাইন ও গোমারা’র গ্রামের মানুষ বিষধর সাপের ভয়ে আতংক , সাপুড়ে সাপ ধড়লো ৫টি

মধুখালী প্রতিনিধিঃ
বিষধর সাপের কামড়ের আতংকে ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার বাগাট ইউনিয়নের মিটাইন ও গোমারা গ্রাম সহ আরও কয়েকটি গ্রামের মানুষের ঘুম নেই। বাগাট ইউনিয়নের মিটাইন ও গোমরা গ্রামে মধুমতি নদীর চরে বাদাম ও পাটের ক্ষেতে বিগত বেশ কিছু দিন ধরে বিষধর সাপের অত্যাচারে মানুষ ঘরমুখো হয়ে বাড়ীতে বসে আছে । পারছেনা ফসল ঘরে উঠাতে পারছেনা ফসল আবাদ করতে । শুধু আতংংক আর আতংক বিরাজ করছে দুই গ্রাম সহ আশেপাশে আরও অনেক গ্রামের মানুষের। বিগত প্রায় ১৫দিনের মধ্যে ক্ষেত আবাদ ও উঠাতে গিয়ে মিটাইন ও গোমারা গ্রামে বিষধর সাপের কামড়ে দুইজন মারা গেছে। তারই ধারা বাহিকতায় ফসলের আবাদ ও ফসল উঠানোর কথা চিন্তা করে সাপ ধরার জন্য সুদুর মাগুরা জেলার মুহাম্মাদপুর উপজেলার গঙ্গারামপুর গ্রাম থেকে আগত সাপুড়ে ফারুক হোসেন ও শিষ্য ওহাব হোসেন এসে শনিবার সকালে ৪টি বিভিন্ন জাতের বিষধর সাপ ও একটি দাড়াস সাপ গর্ত থেকে ধরে।

এই ধরা দেখে মানুষের ঢল নেমে আসে। শুধু মানুষ আর মানুষ । সাপুড়ে ফারুক হোসেন বলেন , এই নদীর চরে পাট ও বাদামের ক্ষেতে অনেক জাতের বিষধর সাপ আছে যা আমার একার পক্ষে ধরা কষ্টসাধ্য। তাই বাড়ী যেয়ে আমার গুরুর সাথে পরামর্শ করে আড়পাড়া ইউনিয়নের মধ্য আড়পাড়া গ্রমের ব্যবসায়ী দাউদ শেখ ও মনজুর শেখ কে জানাবো কিভাবে বাকী সাপ ধরা যায়। পাশা পাশি বিষয়টি বাগাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান খাঁন ও মধুখালী উপজেলা প্রশাসনকে দেখভাল করার জন্য গ্রামবাসী জোরালো দাবী করেন যাতে বিষধর সাপের উৎপাত থেকে গ্রামবাসী পরিত্রান পেয়ে ভালোভাবে ফসল উৎপাদন এবং ফসলের মারাত্মক ক্ষতি থেকে পরিত্রান পায় ও মানুষ সুখে শান্তিতে বসব্সা করতে পারেন।