৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ২৩শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ২০শে জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি রোজঃ শনিবার
কামারখালী

নিম্ন বিত্তের চাহিদা মেটাতে বাজারে ব্রয়লার মুরগির কাটা মাংস বিক্রি করা হোক

মধুখালী প্রতিনিধিঃ
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে গরু ও খাসির মাংসের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজারে বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির মাংসের দাম। সাধারণত দোকানে আস্ত ব্রয়লার মুরগি কেনার সামর্থ সবার নাই। কারন নিদারুন সমস্যা নিম্ন বৃত্তের মানুষের। তাই এখন থেকে উপজেলার বিভিন্ন দোকানে ও হাট-বাজারে মুরগির মাংস চাহিদা অনুসারে কেটে বিক্রি করা প্রয়োজন বলে মনে করেন নিম্নবিত্ত মানুষেরা। বিয়ে, বৌভাত, জন্মদিন সহ বিভিন্ন উৎসব আয়োজনে নিম্নবিত্ত মানুষেরা কেটে বিক্রি করা মুরগির মাংসে নিজেদের চাহিদা মেটাচ্ছেন। তাই বাজারে মুরগীর মাংস কেটে বিক্রি করার নিয়ম কার্যকর করা হোক। খোঁজ নিয়ে জানা যায় উপজেলার বিভিন্ন হাটে ও বাজারে বর্তমানে গরুর মাংস প্রতিকেজি ৭০০ টাকা ও খাসির মাংস প্রতিকেজি ১০০০-১২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া দেশি মুরগি প্রতিকেজি ৪৫০-৫০০, সোনালী মুরগি ৩০০ টাকা দরে বিক্রি করছেন দোকানিরা। সে তুলনায় ব্রয়লার মুরগি ২৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

দাম বেশি হওয়ার কারণে সাধারণ ও নিম্ন আয়ের ক্রেতারা গরু, খাসি ও দেশি মুরগির মাংস কেনার সুযোগ পাচ্ছেন না। তারা বিভিন্ন হাট-বাজারে ব্রয়লার মুরগির কাটা মাংস কিনে নিজেদের চাহিদা মেটানোর আগ্রহ ও আশা ব্যক্ত করছেন। মধুখালী উপজেলার কামারখালী ইউনিয়নের কামারখালী বাজারে মুরগী কিনতে এসে মুরগীর দাম শুনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেন, ‘ভ্যানচালক স্বামীর রোজগারে পাঁচ সদস্যের পরিবারের যাবতীয় খরচ চলে। শত ইচ্ছা থাকলেও একটি পুরো ব্রয়লার বা সোনালী মুরগি কেনার টাকা হয় না। বাজারে ব্রয়লার মুরগি কেটে বিক্রি করা হলে আমাদের সুবিধা হতো, অন্তত কাটা মাংস কিনে মাংসতো খেতে পারতাম।’ আরও একজন বলেন স্বামী মরার অনেক দিন হইলো পরের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে পাঁচ সন্তানের মুখের ভাত জোটাই। বাজারে বয়লারের মুরগীর গোশত কাটা মাংস হিসেবে বিক্রি হলে অভাবের সংসারে কম টাকায় ব্রয়লারের গোশত কিনে ছেলেমেয়েকে খাওয়াতে একটু সুবিধা পাইতাম।’ তাই সচেতন প্রভাবশালীরা মনে করেন বিভিন্ন খামার থেকে মুরগি বাজারে এনে দোকানদাররা মাংস কেটে যদি বাজারে বিক্রি করে তাহলে গরিব মানুষ অল্পদামে কিনে খেতে পারে নিম্নবিত্ত আয়ের মানুষেরা গোশের চহিদা পূরন করতে পারতো।