৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ১৮ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি রোজঃ বৃহস্পতিবার
কামারখালী

বাড়ীর জমি নিয়ে শরীকের বিরোধ থাকায়, অভিযুক্ত জমি মাপে বাধা

মধুখালী প্রতিনিধিঃ
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কামারখালী ইউনিয়নে হাচলা (কোমরপুর) গ্রামে বাড়ির জমি নিয়ে চাচাতো ভাইয়ের সাথে দ্বন্ধ থাকার কারনে নুরুল ইসলাম মোল্যা কালু এর জমির রেন্টিকড়াই গাছ কাটার সময় চাচাতো ভাই হাফিজার মোল্যা বাধা দেয় এবং থানায় অভিযোগ দায়ের করেন কালু মোল্যার নামে। উপজেলার কামারখালী ইউনিয়নের হাচলা গ্রামের হাফিজার মোল্যার সাথে বাড়ির জমি নিয়ে দীর্ঘদিন কালু মোল্যার বিরোধ চলছে। দীর্ঘদিন ধরে দু’পক্ষের মধ্যে বাড়ীর জমির দখল নিয়ে চলছে বিরোধ। এ নিয়ে আদালতে মামলাও হয়েছে। তবে যে জমির সাথে বিরোধ নাই সেই জমির ভিতরের রেন্টিকড়াই গাছ কাটা শেষ হওয়ার পর কাটা গাছ নিতে গেলে বাধা দেয় । তবে এ নিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন হাফিজার মোল্যা কালু মোল্যার নামে। অভিযোগের ভিত্তিতে সিদ্বান্ত হয় কামারখালী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি জাহিদুর রহমান বিশ্বাস বাবু মঙ্গলবার (৩০শে মে-২০২৩)ইং তারিখ স্ব- শরীরে বিরোধীয় বাড়ীতে গিয়ে গাছ কাটার জমি সংক্রান্ত ঝামেলা জমি মেপে বুঝে দেওয়ার জন্য মঙ্গলবার সকালে জমি মেপে বুঝে দিতে গেলে হাফিজার মোল্যা কারও কথা না শুনে অযৌতিক দাবী করেন এবং সালিশে সবাইকে অপমানিত মূলক কথাবাত্রা বলে চলে যায়।

পক্ষান্তরে বোর্ডের সিদ্বান্ত অনুযায়ী সবাই মিলে কালু মোল্যার গাছ কাটা জমি মেপে বুঝে দিলে দেখা যায় কাটা গাছ কালু মোল্যার জমির ভিতর আছে। তবে হাফিজার মোল্যার জমির ভিতর নাই । জমি মেপেছেন আজিজার কবি ও সঞ্জিত বিশ^াস। এই মর্মে উপস্থিত ৩৫জন সালিশ নামায় সহি স্বাক্ষর করেছেন কালু মোল্যা সহ কিন্তু হাফিজার মোল্যা কোন সহি করে নাই এবং সালিশ মানেন নাই। আর ছাত্তার মোল্যা কোন ক্রমেই সালিশে আসে নাই এবং কারও কথা রক্ষা করে নাই। পরে সংবাদ শুনে আবার তিনি(হাফিজার) এসে বলেন আমি গাছ দিয়ে দিলাম তবে আমার বাড়ীর জমি আগে মেপে দিতে হবে। এরপর তিনি আবোল -তাবোল কথা বাত্রাবলে সবাইকে আবারও অপমান করে চলে যায়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কামারখালী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলগের সভাপতি জাহিদুর রহমান বিশ্বাস বাবু, ইউনিয়নের বর্তমান প্যালেন চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান শেখ, সাবেক ইউ,পি, সদস্য ও প্যালেন চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান মোল্যা, ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি মোহাম্মাদ আলী মোল্যা,

এ ছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের বাদশা মোল্যা, আলম মোল্যা, শহিদ সর্দার, মকবুল হোসেন, আহম্মেদ মন্ডল, মুকুল, মন্নু, জাফর আলী, পলাশ, ফরিদপুর পৌরসভা ২২নং ওয়াড, কাউন্সিলার র্ নজরুল ইসলাম মৃধা, নিহাল সর্দার, গোলাম রসুল, বাচ্চু, আকরাম মন্ডল, শিমুল, ইলিয়াস মিয়া, সাহিদ, হাকিম, হাসান, জোনাব আলী, কামরুল, হাসান, সাখাওয়াৎ মোল্যা, বাবলু, রবিউল মোল্যা, রাকিবুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ, মিজানুর রহমান বাবলু , জাহাঙ্গীর আলম, নান্নু সহ আরো অনেকে। সালিশে ও জমি মাপার সময় কোন বিশৃংখলা হয় নাই বরং হাফিজার মোল্যা আবোল তাবোল কথা বলেছেন। পরিশেষে বুঝা গেল হাফিজার মোল্যা কারো কথা শোনে না । ক্ষমতার দাপটে চলে। আরও মনে হয় শরীকের বাড়ীর জমি মাপার দিন প্রশাসনের একান্ত প্রয়োজন শান্তি শৃংখলা রক্ষার জন্য। অন্যথায় মারামারি ও মামলা এবং হামলা হবে বলে ধারনা করেন সচেতন জনগন।